চরের মানুষের উন্নয়নে চাই প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো

0
10

অসংখ্য নদ-নদী বেষ্টিত আমাদের চরাঞ্চলে প্রায় এক কোটি মানুষের বসবাস। তীব্র নদী ভাঙন, বন্যা, খরাসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মৌসুমী বেকারত্ব এসব মোকাবিলা করেই বছরের প্রায় পুরো সময়টা ধরেই চরের মানুষকে বেঁচে থাকতে হয়। আবার প্রতিবছর গড়ে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ নদী ভাঙনের শিকার হয়ে গৃহহীন হয়ে পড়ে। গতবছর বন্যায়ও চরের মানুষ ফসলি জমি, ঘরবাড়ি এবং অন্যান্য সম্পদ হারিয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভৌগোলিক অবস্থান বাংলাদেশকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ ঝুঁকির দেশে পরিণত করায় নদীবাহিত এদেশের চরাঞ্চলে বসবাসরত জনগোষ্ঠী এই দুর্যোগের প্রথম ও প্রধান শিকার। দেশের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীর বসবাস চরাঞ্চলে। প্রতিবছরই চরের মানুষকে তাদের সম্পদ হারাতে হচ্ছে বন্যা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি ও ঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে, না হয় জীবন ধারণের প্রাত্যহিক চাহিদা মেটাতে। চরে বসবাসরত মানুষগুলো জীবন ধারণের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করতে পারে না। খাদ্যাভাব পূরণ করাই তাদের কাছে প্রধান চিন্তার বিষয়। এছাড়া কৃষি, চিকিত্সা, শিক্ষা সেবাসহ অপরাপর সরকারি সেবাসমূহ এখনো অনেক চরবাসীর নাগালের বাইরেই রয়ে গেছে। বিচ্ছিন্ন ও দুর্গম চরগুলোতে সরকারি বা বেসরকারি বিভিন্ন সেবা ও সহযোগিতা ঠিকমত পৌঁছায় না বলেই প্রতীয়মান হয়। যেটুকু যায় তা প্রয়োজনের তুলনায় নগণ্যও বটে। তবে বাংলাদেশের বৃহত্তর চরভূমি এক অপার সম্ভাবনার জায়গা। দেশের শত সম্ভাবনাময় চরাঞ্চলকে আমাদের দুর্দিনে আগামীদিনের খাদ্য নিশ্চয়তা ও নিরাপত্তার উৎসভূমিতে রূপান্তর করা সম্ভব। চরে রয়েছে প্রচুর পলিযুক্ত ঊর্বর কৃষি জমি। জমিগুলো চাষের জন্য প্রয়োজনীয় জনবলের উপস্থিতিও (কিষাণ-কিষাণী) রয়েছে। চরাঞ্চলে সরকারি-বেসরকারি সহায়তায় এবং কৃষকদের স্বউদ্যোগে কৃষি বিল্ববের নতুন নতুন সংবাদ দারুণ আশার সঞ্চার করছে। তিস্তা চরের বালুতে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা প্রাকটিক্যাল অ্যাকশনের সহায়তায় চরের চাষিদের বিশেষ পদ্ধতিতে কুমড়া উত্পাদন বিশ্বখ্যাতি পেয়েছে। এছাড়া মরিচ, বাদাম, স্কোয়াশসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষের জন্যে সবচেয়ে উপযুক্ত চরভূমি। বিশেষজ্ঞদের মতে, চরাঞ্চল অর্গানিক সবজি উত্পাদনের একটি অন্যতম ভা-ার। ভেষজ চাষও চরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তাছাড়া পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ধরনের ডাল ও বাড়ির আঙিনায় সবজি আবাদের মাধ্যমে দেশের পুষ্টির চাহিদা পূরণে চরাঞ্চলকে ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। গবাদিপশু পালন এবং দুধের চাহিদা পূরণেও সবচেয়ে সম্ভাবনাময় জায়গা এখন চরাঞ্চল। বহু যুগ আগে পাবনার চরাঞ্চলেই রবীন্দ্রনাথ সমবায়ভিত্তিক উন্নত জাতের সিন্ধু অঞ্চলের গাভী পালনের গোড়াপত্তন করেছিলেন। আজও এ অঞ্চলে উন্নত জাতের গাভীর লালন-পালন বেশি হারেই হচ্ছে। আর সে কারণেই ‘মিল্ক ভিটা’ সমবায় সমিতির যাত্রা শুরু এ অঞ্চল থেকেই হয়েছে। পদ্মা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র বক্ষের বিভিন্ন ছোট-বড় চরগুলোতে এখন অক্সফাম জিবির সহায়তায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আকারে গরু, ছাগল, ভেড়া ও হাঁস-মুরগির অসংখ্য খামার ও মিনি গার্মেন্টস গড়ে উঠেছে। এসব কার্যক্রম থেকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে চরের দরিদ্র মানুষ। তবে আজ পর্যন্ত চরের উন্নয়নে কোনো ধরনের বিশেষায়িত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে ওঠেনি। এ কারণে চরের মানুষের পদ্ধতিগত এবং টেকসই উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। আমরা দেখছি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো না থাকার কারণে জাতীয় বাজেটে চরের মানুষের উন্নয়নে থোক বরাদ্দ দেওয়া হলেও বাজেটে বরাদ্দকৃত টাকার সুবিধাদি তারা বাস্তবে পাচ্ছেন না। ২০১৪-১৫ এবং ২০১৫-১৬ অর্থবছরে চরের মানুষের উন্নয়নে জাতীয় বাজেটে ৫০ কোটি টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হলেও বরাদ্দকৃত টাকা খরচ হয়নি। এবারের বাজেটেও চর এবং হাওরের মানুষের উন্নয়নে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু বরাদ্দকৃত টাকা কীভাবে, কোন্ প্রতিষ্ঠান কোথায় খরচ করবে তা অনুমিত নয়। চরের মানুষের উন্নয়নে বরাদ্দকৃত টাকা সঠিকভাবে খরচ করা গেলে চরবাসীর জীবনমানে যে আরও একটু উন্নয়নের ছোঁয়া লাগতো এতে কোনো সন্দেহ নেই।
আসলে তো চরের মানুষের দুঃখ-কষ্টের শেষ নেই। প্রায় সারাবছর ধরেই বহুবিধ দুর্যোগ তাদের মোকাবিলা করতে হয়। সর্বশেষ বছরেও আমরা দেখলাম বন্যার কারণে চরের মানুষকে কতোই না কষ্ট করতে হলো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবশ্যই চরের মানুষের সার্বিক উন্নয়নে যথেষ্ট আন্তরিক। বিভিন্ন সভায় তিনি সবসময়ই চরের মানুষের উন্নয়নে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা বলেছেন। গতবছরের ৭ জুন জাতীয় সংসদে জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ ফরিদুল হক খান চরাঞ্চলের মানুষের উন্নয়নে সরকার কী ধরনের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই প্রশ্নের উত্তরে যে জবাব দেন সেখানে সুস্পষ্টই প্রমাণ হয় চরের মানুষের উন্নয়নের বিষয়ে তিনি আন্তরিক। সেদিন তিনি বলেন, চরাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কিছু কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। কৌশলসমূহের মধ্যে রয়েছে চরাঞ্চলে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য তহবিল গঠন, অবকাঠামোগত সুবিধা তৈরিতে প্রাধান্য দেওয়া, চরাঞ্চলে ম্যানুফ্যাকচারিং-এর সুযোগ তৈরি করা, চরের খাসজমি বিতরণ করে কৃষি উত্পাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করা, চরাঞ্চলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষি সম্প্রসারণ সেবা বৃদ্ধি করা, চরাঞ্চলসমূহের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি সাধন করা, প্রতিকূল জলবায়ু ও পরিবেশগত পরিবর্তনের আঘাতের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সহিষ্ণুতা তৈরি করা এবং টেকসই পরিবেশ নিশ্চিতকরণে চরাঞ্চলের সুরক্ষার জন্য সবুজ বেষ্টনি গড়ে তোলার ব্যবস্থা করা। বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, সরকার গৃহীত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দ্বীপচরের হতদরিদ্র মানুষের জন্য কোটা সংরক্ষণ ও নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও চরাঞ্চলে কৃষি উত্পাদন ও গবাদিপশু পালনকে উৎসাহিত করতে কম সুদে বিশেষ ঋণ প্রদানের ব্যবস্থার কথাও বলেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী চরাঞ্চলের উন্নয়নে যেসব কৌশল ও পরিকল্পনার কথা বলেছেন তাকে সাধুবাদ জানাতেই হয়। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দ্বীপচরের মানুষের জন্য বিশেষ কোটা দাবিটি অনেক আগে থেকেই উত্থাপিত হয়ে আসছে। এর কারণ হলো সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ভাতা ও সুবিধাদি মাথা গণনার (হেড কাউন্টিং) ভিত্তিতে দেওয়ার কারণে চরের অতিদরিদ্র মানুষেরা দারুণভাবে বৈষম্যের শিকার হন। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ভাতাদি ওয়ার্ড, ইউনিয়ন পর্যায়ে দেওয়া হয় হেড কাউন্টিং-এর ভিত্তিতে। এতে করে দেখা যায় চর এলাকাসহ যেসব জায়গাতে তুলনামূলক বেশি দরিদ্র মানুষের বসবাস তারা সবাই এই সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আসছে না। চরের অনেক দরিদ্র মানুষ তাই এই পদ্ধতিতে ভাতা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সেই নিরিখে প্রধানমন্ত্রী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দ্বীপচরের অতিদরিদ্র মানুষের জন্য যে বিশেষ কোটা সংরক্ষণ ও নিশ্চিত করার কথা বলেছেন তা অবশ্যই ইতিবাচক। আমি মনে করি তাড়াতাড়ি এটি বাস্তবায়ন হলে চরের দরিদ্র মানুষেরা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বেশি সুবিধাদি পাবে।
প্রতিবছরই চরের মানুষকে এরকম কোনো না কোনো ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলা করেই চলতে হয়। তবে এটা ঠিক যা চরের মানুষের সমন্বিত উন্নয়নে আজঅব্দি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে না ওঠার কারণেই চরের মানুষের উন্নয়নে খুব একটা পরিকল্পিত পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। যে কথা আগেই বলেছি, গত কয়েক বছর ধরে দেখছি চরের মানুষের উন্নয়নের জন্য বাজেটে বরাদ্দ প্রদান করা হচ্ছে। কিন্তু বরাদ্দকৃত টাকা খরচ হচ্ছে না। বরাদ্দকৃত টাকা কোথায় যাচ্ছে সে খবরও কেউ জানতে পারছে না। এমনকী অর্থবিভাগের কর্মকর্তারাও বলতে পারেন না বরাদ্দকৃত টাকাটা আসলে কোথায় গেল। এ বিষয়ে অনেক সংসদ সদস্যও পার্লামেন্টে বলেছেন, চরের মানুষের জন্য শুধু অর্থ বরাদ্দ দিলেই হবে না, সেই অর্থ কীভাবে খরচ হবে, তারও সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা থাকতে হবে। কিন্তু বরাবরই একই ঘটনা ঘটছে।
সরকারের সংশ্লিষ্ট অনেককেই এরকম মন্তব্য করতে শুনেছি যে, অর্থ কোন প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হবে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান না থাকার কারণেই সমস্যা তৈরি হয়েছে। ফলে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু সেই অর্থের সুবিধাদি চরবাসী পাচ্ছে না। আমরা দেখেছি দেশের বিশেষ বিশেষ অঞ্চলের দরিদ্র মানুষকে এগিয়ে নিতে সরকারের বিশেষ বিশেষ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো রয়েছে। পার্বত্য অঞ্চল, হাওর এলাকার উন্নয়নে সক্রিয় বোর্ড রয়েছে। কিন্তু চরে বসবাসরত প্রায় এককোটি মানুষের জন্য এরকম কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোই গড়ে তোলা হয়নি।
মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাসহ সবাই এই মর্মে একমত হয়েছেন যে, একটি টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের মাধ্যমেই চরের মানুষের যথার্থ টেকসই উন্নয়ন সম্ভব। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার এ বিষয়টির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে অনেকবার কথা বলেছেন। প্রস্তাবিত এই প্রতিষ্ঠান বর্তমান সরকার প্রণীত সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার আলোকে ভিশন-২১ বাস্তবায়ন এবং এসডিজি অর্জনে বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রেও যা কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। আসলে চরের মানুষের উন্নয়নে একটি স্বতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলা হলে নদী ভাঙনে আক্রান্ত চরের দরিদ্র মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনে পরিকল্পনাভিত্তিক উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়া সহজ হবে। চরের কৃষির উন্নয়নে এবং দারিদ্র্য বিমোচনে এই প্রতিষ্ঠান চরবাসীকে বিভিন্ন ধরনের আর্থিক সহায়তা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করবে। এছাড়াও চর বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের গবেষণা জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে। চরের নতুন নতুন সম্ভাবনাগুলোকে এগিয়ে নিতে এ ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সমমনা উন্নয়ন সহযোগী, আন্তর্জাতিক ও জাতীয়ভিত্তিক উন্নয়ন সংগঠন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, গবেষক, সাংবাদিক, উদ্যোক্তা, নারী এবং কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত ন্যাশনাল চর অ্যালায়েন্স অনেকদিন ধরেই দাবি করছে যে চরের মানুষের উন্নয়নে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলা হোক। সরকারের নীতিনির্ধারকরা এ বিষয়ে এখনই একটি উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে। চর ফাউন্ডেশন বা চর বোর্ডের মতো কোনো বিশেষায়িত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলা হলে চরবাসীর উন্নয়ন যে আরও অংশগ্রহণমূলক হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। পিকেএসএফ যেমন প্রান্তের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উদ্ভাবন কার্যক্রমসমূহ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার আওতায় এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে চরের জন্য গঠিত ফাউন্ডেশন বা প্রতিষ্ঠান একই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে সচেষ্ট হতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস। তাই এ রকম একটি প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নেবার জন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
লেখক: বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সাবেক গভর্নর,
বাংলাদেশ ব্যাংক

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here