সুন্দরবন ও পরবিশেরে জন্য রামপালরে কয়লাভত্তিকি তাপ বদ্যিুৎকন্দ্রে একটি মরণ কামড় : আনু মুহাম্মদ

0
123

‘সুন্দরবন বিধ্বংসী রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিল কর’-স্লোগানকে সামনে রেখে তেল-গ্যাস-খনিজসম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় নগরীর খুলনা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। জাতীয় কমিটির খুলনা জেলা শাখার আহ্বায়ক এস এ রশিদের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মো¯তাফা খালিদ খসরুর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিপিবির কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, ইউসিএলবির কেন্দ্রীয় সম্পাদক-মন্ডলীর সদস্য রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়, সিপিবির কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি ডাঃ মনোজ দাশ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মনিরুল হক বাচ্চু, সিপিবির বরিশাল জেলা সভাপতি অ্যাড. এ কে আজাদ, জাতীয় কমিটির বাগেরহাট জেলা সদস্য সচিব ও সিপিবি জেলা সাধারণ সম্পাদক ফররুখ হাসান জুয়েল, অধ্যাপক শেখ সাদী ভূঁঞা, সিপিবি খুলনা নগর সভাপতি এইচ এম শাহাদৎ, বাসদ খুলনা জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নান্টু, সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির খুলনা জেলা সদস্য সচিব অ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা নূর মোহাম্মদ মোড়ল, বাসদ (মার্কসবাদী) খুলনা জেলা সদস্য রুহুল আমিন, ইউসিএলবি খুলনা জেলা সদস্য আনিসুর রহমান মিঠু, কাজী দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন খুলনা জেলার সভাপতি উত্তম রায়, সাধারণ সম্পাদক রাহাত খান, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট খুলনা জেলা নেতা সনজিৎ মল্ল, সাখাওয়াৎ হোসেন বিপ্লব, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী খুলনা জেলা নেতা হুমায়ুন আজাদ প্রমুখ। কনভেনশনে সরকারের ব্যয়বহুল ঋণনির্ভর পরিবেশবিধ্বংসী বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনার বিপরীতে জাতীয় কমিটির বিকল্প প্র¯তাবনা উপস্থাপন করা হয়।
কনভেনশনে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে, রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবন ও এ অঞ্চলের পরিবেশের জন্য মরণ কামড়। এমনিতেই জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণসহ মনুষ্যসৃষ্ট বিভিন্ন কারণে সুন্দরবন ও এ অঞ্চলের নদী-খাল-জলাশয়-বন-কৃষি-মৎস্য প্রভৃতি সর্বোপরি পরিবেশ হুমকির মুখে। তার ওপর রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। শুধুমাত্র পরিবেশ ও সুন্দরবনই নয় এ প্রকল্প জাতীয় স্বার্থবিরোধীও বটে। কারণ সরকার ভারতের সাথে যে চুক্তি করেছে তা আত্মঘাতী ও লোকসানজনক। রামপালে তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে এ অঞ্চলের মানুষ বিদ্যুৎ পাবে সরকারের এমন প্রচারের কথা উল্লেখ করে বলেন, এটি একটি ডাহা অপপ্রচার। কারণ সকল বিদ্যুৎ প্লান্টের উৎপাদিত বিদ্যুৎই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়। সেখান থেকেই বিদ্যুৎ বন্টন হয়। সুতরাং এ অঞ্চলের মানুষের বিশেষ কোনো সুবিধা পাওয়ার সুযোগ নেই। রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ধরে যে সর্বনাশা শিল্প এলাকা গড়ে ওঠার ধুম পড়েছে তাতে কিছু লোকের আপাতদৃষ্টে কর্মসংস্থান হবে বলে মনে হলেও এর ফলে যে ক্ষতি হবে তাতে এ অঞ্চল থেকে ৪০-৫০ লাখ মানুষ তাদের কর্মসংস্থান হারাবে। তার পরেও জাতীয় ও আšতর্জাতিক সকল প্রতিবাদ অগ্রাহ্য করে রামপালে তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছে। সরকার ইতোপূর্বে জাতীয় পরিবেশ কমিটির বৈঠকে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় ৩২০টি গ্রুপকে কারখানা স্থাপন করার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধাšত নিয়েছে। এর বেশির ভাগই সুন্দরবনের ১০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে। সরকারের তথাকথিত উন্নয়ন মডেল জনগণের গলার ফাঁসে পরিণত হয়েছে। সকল ফ্যাসিবাদী তৎপরতা মোকাবেলা করে এ লড়াইয়ে জয় ভিন্ন জনগণের আর বিকল্প নেই এবং জনগণ জয়যুক্ত হবেই। খবর বিজ্ঞপ্তি

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here