কুড়িগ্রামে আমের মুকুলের মৌ মৌ সুগন্ধে মৌমাছিরা দিশেহারা

0
102

কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী ও রাজিবপুরসহ দুই  উপজেলার প্রতিটা  বাড়ি বাড়িতে  বিভিন্ন প্রজাতের আমের মুকুলে ছেয়ে গেছে গ্রাম এলাকা /তবে প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় বাড়ির আশপাশে  থাকা বিভিন্ন প্রজাতের আম গাছ/ ওইসব  আম গাছে পাতা নাই শুধু মুকুলের মৌ মৌ সুগন্ধে মৌমাছিরাও মনের আনন্দে  দিশেহারা হয়ে পরেছে / বর্তমান রৌমারী – রাজিবপুরসহ
দুই উপজেলার যেদিকে তাকিয়ে দেখি সেদিকেই শুধু মুকুলের সুগন্ধি /আর বিভিন্ন প্রজাতির আমের মুকুলে ছেয়েগেছে সবগুলো গ্রামের প্রতিটি বাড়ির. আংগিনার চার পাশেই শুধু  দুলছে  আমের মুকুল / তবে এলাকা ঘুরে দেখা গেছে  এবার যেহারে আমের মুকুল এসেছে সেহারে এলাকার চাহিদা মিটিয়ে এলাকার বাইরেও রপ্তানি করা সম্ভব বলে
মনে করছেন এলাকার সচেতন মহলগন / আর যদি আবহাওয়া অনুকূল ভালো না থাকে তাহলে তো সেটা ভিন্ন বিষয় কারণ আললাহর. উপর কারও হাত নেই / তাই উপর ওয়ালাই ভালো জানে সেই মহান যার কনো তুলনা নেই / তবুও আম চাষীরা বুক ভরা আসা নিয়ে পথ চেয়ে বসে  আছে সুগন্ধি  মুকুলের পানে/ আম চাষীরাও ভাবছেন আর নানাবিধ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে যাতে মুকুলের রোগবালাই আক্রমণে রক্ষা পায় সেদিকটাও মাথায় রেখেছেন কৃষকরা / নব আমচাষিদের সংগে কথা বলে জানা গেছে. কারা আমের মুকুলের পর্যাপ্ত পরিমাণমতো ভালো থাকার জন্য পরিচর্যা করছেন / এবার আম চাষী কৃষক. রাজিবপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের মিয়াপাড়া গ্রামের নুরেশাহী ফুল মিয়া চেয়ারম্যান সাবেক . তার সংগে কথা হয় / সে জানায় প্রতিটি  বছরে সে তার আম বাগান থেকে পাচ্ছে  পাচ থেকে  ছয় লাখ টাকা. এতে তার বাগান থেকে যা আসে তা দিয়ে সারা বৎসরের জন্য  আর বারতি চিন্তা করতে হয়না. পাশাপাশি একই ইউনিয়নের শিবেরডাংগী গ্রামের ফরজ আলী এক বিঘা জমিতে গত দুই বছর আগে আম চাষে আগ্রহের সংগে ভালো মানের আম চারাগুলো সংরোহ করে জমিতে বপন করেছেন/ ফরজ আলী তার আম বাগানে  প্রথমে সামান্য আম আসছিল তা বিক্রয় করা সম্ভব হয়নি.এবার যদি কনো সমস্যা না হয় এবং  আবহাওয়া অনুকুল ভালো থাকে তাহলে আললাহর রহমতে আসা করি ভালো ফলাফল. পাওয়া যাবে / এবিষয়গুলি নিয়ে কথা হয়. রৌমারী ও রাজিবপুর  উপজেলা  কৃষি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন এর সংগে রৌমারী ও রাজিবপুরসহ দুই উপজেলায় বেপুক আমের মুকুল এসেছে এতে কতটুকু সুফল পাবে আম চাষী কৃষকরা / কৃষি কর্মকর্তারা জানান আবহাওয়া অনুকুল ভালো থাকলে এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি করা সম্ভব বলে মনে করেন।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here