admoc
Kal lo

,

admoc
Notice :
«» রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার কার্যকর কিছুই করছে না: প্রধানমন্ত্রী «» উত্তর কোরিয়ায় সিআইএ প্রধান: কিম জং আনের সঙ্গে গোপন বৈঠক «» ঢাকার রাস্তায় পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের দাপটে যাত্রীরা অসহায় «» ইন্টারনেট আবিষ্কার হয়েছে মহাভারতের যুগে: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী «» জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ৪০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে : শিল্পমন্ত্রী «» বিপিও সেক্টরে ১ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে : জয় «» সৌদি আরবে প্রথমবারের মতো নারীদের সাইক্লিং প্রতিযোগিতা «» বিএনপি দেশের স্থিতিশীল অবস্থা মেনে নিতে পারছে না : ওবায়দুল কাদের «» মিয়ানমার প্রথমে ফিরিয়ে নিল ৫ জন «» যৌন নির্যাতন ছিল রোহিঙ্গা বিতাড়নের হাতিয়ার

সরকারের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত

Untitled-30

আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল দেশজুড়ে : ছাত্রনেতাদের সঙ্গে বৈঠকে কোটা পদ্ধতির সংস্কারে আশ্বাস
নিজস্ব সারারাত ধরে উত্তাল ছাত্র বিক্ষোভ এবং সংঘর্ষের পর কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সচিবালয়ে এই আলোচনায় যোগ দেন আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী প্রায় বিশ জন ছাত্র নেতা। দেশজুড়ে ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে সরকারি চাকুরিতে নিয়োগের কোটা পদ্ধতিতে সংস্কার বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে সরকার। আন্দোলনকারী ছাত্রনেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকের পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের সামনে একথা জানান। তিনি বলেন, ছাত্রদের দাবির যৌক্তিকতা সরকার ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। এ নিয়ে সরকার কঠিন অবস্থানে নেই। তবে তিনি একই সঙ্গে একথাও জানান, যারা রবিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে হামলা চালিয়েছে তাদের কঠিন শাস্তি পেতে হবে। ওবায়দুল কাদের আরও জানিয়েছেন, মে মাসের ৭ তারিখের মধ্যে সরকার কোটা সংস্কারের দাবি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। আর সে পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত রাখতে রাজী হয়েছে ছাত্র নেতারা। সচিবালয়ের এই বৈঠকে যে ছাত্রনেতারা উপস্থিত ছিলেন তাদের পক্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসীন হল শাখা ছাত্রলীগের নেতা হাসান আল মামুন সাংবাদিকদের জানান, ৭ই মে পর্যন্ত তারা আন্দোলন স্থগিত রাখছেন। সচিবালয়ে এই আলোচনায় যোগ দিয়েছিলেন আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী প্রায় বিশ জন ছাত্র নেতা। মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ছাড়াও আওয়ামী লীগের বেশ কিছু তরুণ নেতা এই বৈঠকে ছিলেন।
গতরাতে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের এই আন্দোলন ব্যাপক রূপ নেয় এবং ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি প্রায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল তখন সরকারের তরফ থেকেই প্রথম আলোচনার প্রস্তাব দেয়া হয়। ছাত্রনেতাদের সঙ্গে বৈঠকে যে সমঝোতা হয়েছে, তাতে গ্রেফতার হওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের মুক্তি এবং আহতদের চিকিৎসার খরচ সরকার বহন করবে বলে আশ্বাস দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। গত রোববার রাতে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের এই আন্দোলন ব্যাপক রূপ নেয় এবং ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি প্রায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল তখন সরকারের তরফ থেকেই প্রথম আলোচনার প্রস্তাব দেয়া হয়। এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি বৈঠক শেষ না হওয়া পর্যন্ত ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। শত শত ছাত্র-ছাত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির মোড়ে রাজু ভাস্কর্যের সামনে জড়ো হয়ে সেখানে বিক্ষোভ চালিয়েছেন। সেখানে তারা সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা প্রথার সংস্কারের দাবিতে ক্রমাগত শ্লোগান দিয়েছেন। এই বিক্ষোভকারীদের একই সঙ্গে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগানও দিতে দেখা যায়। রোকেয়া হল থেকে আসা একটি বড় ছাত্রী মিছিল এই সমাবেশে যোগ দেয়। এতে একশোর বেশি ছাত্রী ছিল। টিএসসির মোড়ে জমায়েত হওয়া বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ছাত্রীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখা যায়। গত রোববার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক সংঘর্ষের সময় যেভাবে তারা পুলিশি হামলার শিকার হয়েছে, সেকারণে ছাত্র-ছাত্রীরা বেশ বিক্ষুব্ধ। গতরাতের বিক্ষোভ পুলিশ দমন করার পর তাদের গতকাল সোমবার সকালের দিকে কিছুটা হতোদ্যম মনে হচ্ছিল। কিন্তু রাজু ভাস্কর্যের সামনে জমায়েতে বহু ছাত্র-ছাত্রী এসে যোগ দেয়ার পর তাদের নতুন করে উজ্জীবিত বলে মনে হয়।
শাহবাগের মোড়ে ব্যাপক পুলিশ উপস্থিতি চোখে পড়ে। যে পরিমান বিক্ষোভকারী ক্যাম্পাসে ছিল প্রায় সেই পরিমানে পুলিশ চারিদিকে অবস্থান নিয়েছিল। ছাত্রদের বিক্ষোভ দমনে তৈরি রাখা হয়েছিল জলকামানবাহী গাড়ি। শাহবাগের মোড়ে একটি দীর্ঘ কর্ডন তৈরি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশ পথ আটকে রাখে পুলিশ। পুলিশের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয় সরকার সমর্থক ছাত্রলীগের বহু কর্মী। ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে তারা ক্যাস্পাসে প্রবেশ করে। মধুর ক্যান্টিনের সামনে ছাত্রলীগের কয়েকশ কর্মী চোখে পড়ে। গতরাতের সংঘর্ষের জের ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে কিনা তা স্পষ্ট নয়। তবে ধর্মঘট হলে যেভাবে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকে, সেরকম একটা অবস্থা ছিল। ছাত্রদের আন্দোলন গতকাল ঢাকার বাইরে আরও বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আন্দোলন চালিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তারা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তালা, বিক্ষোভ করছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আন্দোলনে কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীদের দাবি একটাই- কোটা ৫৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে আনতে হবে। মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়ন এবং কোটার নামে অমেধাবীদের বিশেষ সুবিধা পাওয়ার অন্যায্য পন্থা বন্ধের দাবিতে অনড় তারা। ঢাকায় শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা সোমবার দ্বিতীয় দিন আবার রাস্তায় নামেন। সকাল ১০টা থেকে নগরীর ষোলশহর, দুই নম্বর গেইট এলাকায় শত শত ছাত্রছাত্রী রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছে। একইসাথে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জন কর্মসূচি শুরু করেছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ডাকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সর্বাত্মক ধর্মঘট হয়েছে। ফলে নির্ধারিত রুটিনের সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ছিল। কোটা সংস্কার দাবির আন্দোলনকারীদের বিক্ষুব্ধ স্লোগানে উত্তাল হয়ে উঠে গোটা ক্যাম্পাস। গতকাল ভোর সাড়ে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফটকে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। তারা ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। ফলে শিক্ষার্থীদের বহনকারী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহনের কোনো বাস সকালের শিফটে ক্যাম্পাস ছেড়ে যায়নি। এদিকে, সকাল ৯টার দিকে আন্দোলনকারীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। ফলে গোটা ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে ঢাকায় একজন আন্দোলনকারী পুলিশের হামলায় নিহত হয়েছেন এমন খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে প্রত্যেক হল থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রধান ফটকে জড়ো হন প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী। তারা ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। সেখানে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষুব্ধ স্লোগান দিতে থাকেন। পরে রাত আড়াইটার দিকে তারা অবরোধ তুলে নিয়ে হলে ফিরে যান।
সব ধরনের সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে সারা দেশের শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের ন্যায় আন্দোলনে নেমেছেন সিলেটের বিভিন্ন বিভিন্ন ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকাল থেকে স্ব স্ব ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন তারা। এদিকে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, এমসি কলেজ, সরকারি কলেজ, মদন মোহন কলেজেও শিক্ষাথীরা ধর্মঘট পালন করছেন। দুপুরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে মিছিল নিয়ে নগরীর চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। সেখানে সড়ক অবরোধও করেন তারা। কোটা পদ্ধতির সংস্কারের পাঁচ দফা দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সকাল থেকে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি চললেও দুপুর সাড়ে ১১টা থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে শুরু করেছেন বিএম কলেজ শিক্ষার্থীরা। এতে বরিশাল থেকে ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনা রুটসহ নগরীর উত্তর প্রান্তের সড়কগুলোতে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকে। ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
বরিশাল-পটুয়াখালী মিনি বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাওছার হোসেন শিপন বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৯টার পর থেকেই কীর্তনখোলা নদীর ওপরে শহীদ আব্দুর রব সেনিয়াবাত সেতুসংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেন। আর তখন থেকেই চলে তাদের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ। এতে করে রাস্তার দুই প্রান্তে অসংখ্য যানবাহন আটকে যায়। পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।’
কোটা সংস্কারের দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আন্দোলন চলমান রয়েছে। সকাল ১০টা থেকে এ আন্দোলন শুরু হয়। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার শাহবাগে বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেন। পরে পুলিশের হামলায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। শাহবাগের এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং একইসাথে কোটা সংস্কারের দাবিতে সকাল থেকে মিছিল শুরু করেন ইবি শিক্ষার্থীরা। সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে মিছিলে অংশ নেন। তারা দলে দলে বিভিন্ন একাডেমিক ভবন ও হল থেকে বেরিয়ে আসেন। এ সময় তাদের হাতে ব্যানার, বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড এবং কিছু শিক্ষার্থীর বুকে স্লোগান লেখা দেখতে পাওয়া যায়। সকাল থেকে তারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মহড়া দিতে থাকেন।  তারা ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সামনে অবস্থান করেছেন। এ ছাড়াও মূল ফটকের সামনে পুলিশকে অবস্থান করতে দেখা গেছে। সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা সংস্কারের দাবিতে ও বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বিক্ষোভ মিছিল ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ফের অবরোধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও জাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আন্দোলনকারীদেরকে অবরোধ তুলে নিতে বলেন। তবে আন্দোলনকারীরা ঘটনাস্থল ছেড়ে যাবেন না বলে জানান। কোটা প্রথা সংস্কারের দাবিতে ও শাহবাগে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক ও গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া সড়ক অবরোধ করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সদর উপজেলার ঘোনাপাড়ায় গিয়ে অবস্থায় নেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা বাঁশ, ব্লক ও ইট দিয়ে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক ও গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া সড়ক অবরোধ করেন। তারা কোটা প্রথা সংস্কারের দাবিতে ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। অবরোধের কারণে সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এ সময় সড়কের দুই পাশেই অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে। আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা মিছিল নিয়ে সোমবার শহরের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রেলস্টেশন অবরোধ করে কোটা সংস্কারের দাবি জানান। অন্যদিকে একই দাবিতে ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়ক অবরোধ করে কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘শেখ হাসিনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই,’ ‘আমাদের দাবি আমাদের দাবি, মানতে হবে মেনে নাও,’ ‘কোটা দিয়ে কামলা নয়, মেধা দিয়ে আমলা চাই,’ ‘১০% এর বেশি কোটা নয়’ স্লোগান দেন। আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবি হচ্ছে- সরকারি নিয়োগে কোটার পরিমাণ ৫৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা, কোটার যোগ্য প্রার্থী না পেলে শূন্যপদে মেধায় নিয়োগ, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা না নেওয়া, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে অভিন্ন বয়সসীমা, নিয়োগ পরীক্ষায় একাধিকবার কোটার সুবিধা ব্যবহার না করা।

Share Button
Share on Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী