admoc
Kal lo

,

admoc
Notice :
«» রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার কার্যকর কিছুই করছে না: প্রধানমন্ত্রী «» উত্তর কোরিয়ায় সিআইএ প্রধান: কিম জং আনের সঙ্গে গোপন বৈঠক «» ঢাকার রাস্তায় পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের দাপটে যাত্রীরা অসহায় «» ইন্টারনেট আবিষ্কার হয়েছে মহাভারতের যুগে: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী «» জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ৪০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে : শিল্পমন্ত্রী «» বিপিও সেক্টরে ১ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে : জয় «» সৌদি আরবে প্রথমবারের মতো নারীদের সাইক্লিং প্রতিযোগিতা «» বিএনপি দেশের স্থিতিশীল অবস্থা মেনে নিতে পারছে না : ওবায়দুল কাদের «» মিয়ানমার প্রথমে ফিরিয়ে নিল ৫ জন «» যৌন নির্যাতন ছিল রোহিঙ্গা বিতাড়নের হাতিয়ার

রোহিঙ্গা বিতাড়ন নিয়ে রুল চেয়েছেন হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কৌঁসুলি

Untitled-26

নিউজ ডেস্ক : গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর অভিযান শুরুর পর সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা ঘরবাড়ি ফেলে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমার থেকে যেভাবে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে বিতাড়িত করা হচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের আওতায় পড়বে কিনা, তা জানতে চেয়েছেন আদালতের প্রধান কৌঁসুলি ফাতোও বেনসোউদা। এ বিষয়ে একটি রুল চেয়ে গত সোমবার হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে আবেদন জানিয়েছেন মিজ বেনসোউদা। আবেদনে বলা হয়েছে, জোর করে কোন দেশের বাসিন্দাদের আন্তর্জাতিক সীমানার বাইরে ঠেলে দেয়া সব দিক থেকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের মধ্যে পড়ে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার একে জাতিগত নিধন অভিযানের উদাহরণ বলে বর্ণনা করেছেন এবং মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত একে গণহত্যার সব চিহ্ন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন, তাও উল্লেখ করা হয়েছে আবেদনে। ‘কিন্তু এখানে আদালতের আওতা নিয়ে কিছুটা দ্বিধা রয়েছে। কারণ বাংলাদেশ এই আদালতের সদস্য, কিন্তু মিয়ানমার সদস্য নয়।’
বাংলাদেশে পালিয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে কূটনৈতিক উদ্যোগে অগ্রগতি দাবি করছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কিন্তু তারপরেও আদালত এই বিষয়টিকে আওতাভুক্ত হিসাবে বিবেচনা করতে পারে, যেহেতু আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করে অপরাধটি ঘটছে এবং আদালতের সদস্য বাংলাদেশের ভূখ- তার শিকার হচ্ছে।’’ আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের আওতায় পড়লে কৌঁসুলির দপ্তর তদন্ত করে অভিযোগ আনতে পারবে। গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর অভিযান শুরুর পর সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা ঘরবাড়ি ফেলে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অনেকেই মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যা, বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া, লুটপাট, অপহরণ আর ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন।

Share Button
Share on Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী