মার্কিন ডেমক্র্যাটিক পার্টির সিইও হলেন সীমা নন্দ

0
136

নিউইয়র্ক থেকে এনআরবি : ডেমক্র্যাটিক পার্টির নীতি-নির্দ্ধারণে ভূমিকা পালনকারি সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত হলেন ভারতীয়-অমেরিকান সীমা নন্দ। ভারতীয় তথা এশিয়ান-আমেরিকান হিসেবে এই প্রথম সীমা নন্দকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের সিইও নিয়োগ করা হলো। এ মাসেই তিনি এ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হবেন বলে ডিএনসি (ডেমক্র্যাটিক ন্যাশনাল কমিটি)’র পক্ষ থেকে এনআরবি নিউজকে জানানো হয়েছে। সীমা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃত্তম মানবাধিকার সংগঠন ‘দ্য লিডারশিপ কনফারেন্স অন সিভিল এ্যান্ড হিউম্যান রাইটস’র চীফ অপারেটিং অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। ডিএনসির সিইও হিসেবে সীমাকে এই সংগঠনের সকল কর্মকান্ডের তদারকি ছাড়াও আমেরিকার কল্যাণ ও উন্নয়নে পার্টির ভ’মিকা ঢেলে সাজাতে হবে। সামনের নির্বাচনে পার্টির বিজয় নিশ্চিত কল্পে কী ধরনের কর্মসূচি নেয়া উচিত-সে দিক-নির্দেশনা দেবেন। সীমা এর আগে শ্রম মন্ত্রী টম পেরেজের চীফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরও আগে একই মন্ত্রীর ডেপুটি চীফ অব স্টাফের দায়িত্ব পালনকালে ইমিগ্রেশন, ওয়ার্কফোর্স উন্নয়ন এবং অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনায় বিশেষ ভ’মিকা রেখেছেন।
বর্তমান সিইও ম্যারি বেথ ক্যাহিল বিদায় নেবেন শীঘ্রই। এজন্যে গত ৫ মাস ধরেই তিনি একজন যোগ্য সিইও খুঁজছিলেন। সীমার নিয়োগ-সংবাদকে অভিনন্দন জানিয়ে ডিএনসি চেয়ার টম পেরেজ (সাবেক শ্রম মন্ত্রী) বলেছেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, মেধাবি এবং দক্ষ সংগঠক সীমাকে এ দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে জনগোষ্ঠির সামগ্রিক কল্যাণে সীমার আন্তরিকতার অভাব নেই। সেটি তিনি ইতিমধ্যেই প্রমাণে সক্ষম হয়েছেন বিভিন্ন স্থানে। তার তৃণমূলের অভিজ্ঞতায় ডেমক্র্যাটিক পার্টি সামনের দিনগুলোতে আরো জনপ্রিয়তা অর্জনে সক্ষম হবে বলে আশা করছি।
এ নিয়োগে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করে সীমা নন্দ বলেন, সারাজীবনের জন্যে এ এক অপূর্ব সুযোগ, যা আমাকে সম্মানিত করছে এবং গৌরববোধ করছি। আর এমন সময়ে আমাকে এ দায়িত্ব দেয়া হলো যখোন সারা আমেরিকার মানুষেরা কষ্টে নিপতিত হয়েছে। এহেন পরিস্থিতি থেকে মানুষজনকে উদ্ধারের লক্ষ্যে ডেমক্র্যাটিক পার্টি যথাযথ দিক-নির্দেশনা প্রদানে সক্ষম হবে বলে মনে করছি। আর সে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক সমাজের সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে, আমাদের নীতি-আদর্শের ওপর ভর করে, এবং আমাদের মূল্যবোধকে জাগ্রত রেখে।
উল্লেখ্য যে, যুক্তরাষ্ট্র শ্রম মন্ত্রণালয়ে যোগদানের আগে তিনি বিচার বিভাগের সিভিল রাইটস ডিভিশনে ইমিগ্রেশন এ্যান্ড এ্যামপ্লয়ী রাইটস সেকশনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। সীমা বস্টন কলেজের ল’ স্কুল এবং ব্রাউন ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করেছেন। তিনি ম্যাসেচুসেট্্স বার এসোসিয়েশনেরও মেম্বার।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here