শ্রমিক সমস্যার সমাধানে ত্রিপক্ষীয় কমিটি হবে

0
217

মন্ত্রিসভায় মালিক শ্রমিকের শাস্তি হ্রাসের সিদ্ধান্ত
শ্রমিকদের জন্য শ্রমবান্ধব এবং সুশৃঙ্খল মালিক-শ্রমিক পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে উৎপানশীলতা বৃদ্ধির জন্য গতকাল মন্ত্রিসভা বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন- ২০১৮ এর খসড়ায় নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিফ্রিংকালে মন্ত্রী পরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ কথা জানান। তিনি বলেন, আইএলও (বিশ্ব শ্রম সংস্থা) ’র কনভেনশন অনুযায়ী এটাকে (শ্রম আইন) আপডেট করার জন্য অর্থাৎ শ্রমবান্ধব পলিসি সব জায়গায় যাতে নিশ্চিত হয় সেজন্য আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সচিব বলেন, আইএলওর পর্যবেক্ষণ আমলে নিয়ে শিল্প কারখানার যেকোন সমস্যার সমাধানে মালিক, শ্রমিক ও সরকারি প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত ত্রিপক্ষীয় কমিটি আইনটির খসড়া চ‚ড়ান্ত করে। একইসঙ্গে খসড়ায় মালিক-শ্রমিকদের যেকোন অসদাচারনের জন্য কঠোর শাস্তির প্রবিধান যুক্ত করা হয়েছে। সচিব বলেন, প্রস্তাবিত আইনে মালিক ও শ্রমিকদের অসদাচরণ বা বিধান লঙ্ঘনের জন্য শাস্তি সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদন্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ড করা হয়েছে। আগে কারাদন্ডের মেয়াদ ছিল ২ বছর। শফিউল জানান, বলপ্রয়োগ, হুমকি প্রদর্শন, কোনো স্থানে আটক রাখা, শারীরিক আঘাত এবং পানি, বিদ্যুৎ বা গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বা অন্য কোনো পন্থায় মালিককে কোনো কিছু মেনে নিতে বাধ্য করলে তা অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে। শ্রমিকরা বেআইনি ধর্মঘটে গেলে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে জানিয়ে শফিউল বলেন, ধর্মঘট করতে আগে দুই তৃতীয়াংশ শ্রমিকের সমর্থনের প্রয়োজন থাকলেও সংশোধিত আইনে ৫১ শতাংশ শ্রমিকের সমর্থন থাকার কথা বলা হয়েছে। বেআইনি ধর্মঘট করলে আগে এক বছর কারাদন্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হত। সংশোধিত আইনে সাজা কমিয়ে ছয় মাস করার প্র¯তাব করা হয়েছে। সাজা আগের মত পাঁচ হাজার টাকা বহাল রাখা হয়েছ।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here