দেশের মানুষের অধিকারকে খর্ব করার জন্য এই আদেশ

0
179

হাইকোর্টের রায়ে সরকারের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়েছে : মির্জা ফখরুল
দুই বছরের বেশি সাজায় দন্ডিতরা আপিল চলাকালেও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না বলে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছে, তা প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “নির্বাচনকে ব্যাহত করার জন্য, বিএনপিকে প্রতিহত করার জন্য, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে প্রতিহত করবার জন্য, দেশের মানুষের অধিকারকে খর্ব করার জন্য এই আদেশ দেয়া হয়েছে।” ওই আদেশের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা মনে করি, এই রায়, এই আদেশে সরকারের আশা-ইচ্ছার প্রতিফলন হয়েছে।” তিনি বলেন, “হাইকোর্টের ওই আদেশ জনগণের মধ্যে অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ঠিক নির্বাচনের পূর্বে দেশনেত্রীর বিরুদ্ধে আবারও এক রায় দেয়া হল যে, তিনি নির্বাচন করতে পারবেন না। এটা কোনো মতেই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এ রায় জনগণ ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।” তিনি বলেন, “ঐক্যফ্রন্ট ও নির্বাচন প্রতিহত করতেই এই রায় দেয়া হয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম, নির্বাচনের আগেই চেয়ারপারসন মুক্তি পেয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।” নিম্ন আদালতে দুর্নীতি মামলায় দÐিত বিএনপি নেতা সাবেক প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লা আমান,  ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ওয়াদুদ ভুঁইয়া ও আব্দুল ওহাব ও ব্যারিস্টার একেএম ফখরুল ইসলাম  নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য হাইকোর্টে আপিল চলমান থাকা অবস্থায় তাদের দন্ড বা সাজা স্থগিত করার আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদন খারিজ করে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল যে আদেশ দিয়েছে, তাতেই খালেদা জিয়ার ভোটের পথ আটকে গেছে। নির্বাচনে অংশ নিতে হলে খালেদা জিয়াকে মুক্তির পরও পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হবে বলেও জানান অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছে, সংবিধানের ৬৬ (২) (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কারও দুই বছরের বেশি সাজা বা দন্ড হলে সেই দন্ড বা সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না, যতক্ষণ না আপিলে ওই দÐ বাতিল বা স্থগিত হয়।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here