ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভয়াবহ যানজট

0
55

সোনারগাঁও প্রতিনিধি : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কাঁচপুর ব্রিজ থেকে কুমিল্লার দাউদকান্দি পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটারজুড়ে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। কুমিল্লা থেকে ঢাকা আসতে যেখানে ২ ঘণ্টা সময় লাগতো সেখানে এখন লাগছে ১০-১২ ঘণ্টা। সোমবার মধ্যরাত থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে থেমে থেমে যানজট লাগলেও বৃহস্পতিবার থেকে তা তীব্র আকার ধারন করে।
শীতের রাতে যানজটে আটকেপড়া যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ। এদিকে অনেকেই দীর্ঘ যানজটে আটকে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। বিশেষ করে বৃদ্ধ, নারী ও শিশুরা বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, যানজটে পড়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা। অতিরিক্ত গাড়ির চাপ, মহাসড়কের শীতলক্ষা, মেঘনা ও গোমতী সেতুতে গাড়ি আটকে থাকায় এ যানজটের সৃষ্টি হয়।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁও উপজেলার মেঘনা টোল প্লাজায় ওজন স্কেল যানজটের অন্যতম কারণ বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার রাত থেকে সৃষ্ট যানজটে হাজার হাজার যাত্রীকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। বুধবার এ যানজট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এ সময় অনেকে হেঁটে রওনা দেন।
পরিবহন মালিক-শ্রমিক ও যাত্রীদের অভিযোগ, কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্বহীনতা, বিকল যানবাহন দ্রুত না সরানো, ওজন স্কেল স্থাপন, টোল আদায়ে ধীরগতি যানজটের অন্যতম কারণ।
এ ছাড়া ৮ লেনের গাড়ি দুই লেনে চলাচল, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, পরিবহন চাঁদাবাজদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি, মেঘনা সেতু ও কাঁচপুর সেতু এলাকায় নতুন দুটি সেতুর কাজ পরিচালনা করার কারণে প্রতিদিন মেঘনা সেতু ও কাঁচপুর সেতু এলাকাসহ এর আশপাশের এলাকায় প্রতিনিয়ত যানজটের সৃষ্টি হয়।
কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি কাইয়ুম আলী সরদার জানান,  অতিরিক্ত গাড়ির চাপ এবং শীতলক্ষা, মেঘনা ও গোমতী সেতুতে নতুন তিনটি সেতুর কাজ পুরোদমে চলছে। এ কারণে রাস্তা শংকুচিত হওয়ায় গাড়ি আটকে থাকায় এ যানজটের সৃষ্টি হয়।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here