দু’টি কবিতা ॥ রনি অধিকারী

0
167

শূন্য থেকে শূন্যতায়

সমস্ত শরীরে প্রার্থনার পরশ পেয়ে
রাতকানা রাজহাঁসগুলো
ছুঁয়েছে নিরন্তর স্তব্ধতাকে।

জ্যোৎস্নার আড়ালে নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে হাসতো
কপোতাক্ষ জলের শান্ত সেই মেয়ে। এখন সে
স্বপ্নের বুকে মাথা রেখে কান পেতে শোনে
অন্ধকারে বৃষ্টির শব্দ…

স্বপ্নীল মায়ার অবাধ চোখের সেই মেয়ে
চেতনার চূড়ায় লাজুক নূপুর পায়ে,
নিবিড় জ্যোৎস্নার ভেতর হেঁটেছিলো
শূন্য থেকে শূন্যতায় ভেসে।

এই নিষিদ্ধ নগরী ছেড়ে ০১

আমি শুধু জানি গন্তব্যে আসল পরিচয়- আমার বেঁচে থাকা এই নিষিদ্ধ নগরী ।
রক্তে-অশ্রুতে মাখামাখি এক রহস্যে নরক। কোন চুলোতে যাবো বলো !
একটা বিহ্বল বিন্দুতে যদি দাঁড়িয়ে থাকি অবিচল দারুচিনি গাছের মতো
কিংবা কম্পাসবিহীন সাম্পানের ন্যায় আমি দিগন্ত দিশেহারা। পাগল প্রায় !
সর্বোপরি হতভাগা ঈশ্বরের সহযাত্রী আমি! আমাকে নিয়ে যাবে কোনো অচেনা নগরীতে !
অথবা, কোনো গহীন অরণ্যে ! একমুঠো স্বস্তির স্নিগ্ধতা আমি তুলে রাখাবো মানিব্যাগে।
শরীরের জ্যামিতি ভাঙার জন্য তুমি আমাকে নিয়ে যাবে গ্রীক রমণীর দেশে!
উষ্ণ শরীর থেকে আমি গড়িয়ে দেবো তরল পারদ, শরীরের ভাঁজ খোলার জন্য
আঙুলের ম্যাজিক তুমি শিখিয়ে দেবে, আমি মধুর ভণ্ডার থেকে তখন আকণ্ঠ তুলে
নেবো অমৃতের স্বাদ।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here