৩শ’ কোটি টাকা আয়ের আশাবাদ

0
41

এবার বগুড়ায় মরিচের বাম্পার ফলন
বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়া জেলার মরিচের খ্যাতি দেশ জুড়ে। এবার জেলার চাষিরা আলু ও ধানের লোকশান পুষিয়ে নিতে মরিচ চাষে ঝুঁকে পড়েন। তাই মরিচের চাষ বেশি হয়েছে। কৃষি বিভাগ মনে করছে, এবার শুকনা মরিচ থেকে জেলায় আয় হবে ৩শ’ কোটি টাকা। বগুড়ায় এ বছর ১৫ হাজার মেট্রিক টন মরিচ উৎপাদন হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করছে জেলার কৃষি বিভাগ। গুড়া মশলা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো লাল টোপা মরিচ সংগ্রহ করে সারিয়াকান্দির চরে শুকিয়ে তাদের ফ্যাক্টরীতে নিয়ে যাচ্ছে । জেলার কৃষি বিভাগ বলছে, এবার আবহাওয়া ভাল থাকায় মরিচের ভাল ফলন হয়েছে। জেলায় এ বছর ৭ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জমি থেকে চাষিরা লাল পাকা মরিচ সংগ্রহ করছে। শুকনা মরিচ আকারে ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৩ হাজার মেট্রিক টন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নিখিল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, যেহেতু এবার আবহাওয়া ভাল, তাই এবার ১৫ হাজার মেট্রিক টন মরিচ (শুকনা আকারে) উৎপাদন হতে পারে। ১৫ হাজার মেট্রিক টন থেকে কৃষকদের আয় হতে পারে প্রায় ৩ শ’কোটি টাকা। এর পাশাপাশি কাঁচা মরিচেও আয় করবে তারা। বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, বগুড়া জেলায় সবচেয়ে বেশি মরিচ চাষ হয় সারিয়াকান্দি, শাজাহানপুর, সোনাতলা, ধুনট, শেরপুর, নন্দীগ্রাম ও শিবগঞ্জ উপজেলায়। বগুড়া সদর, কাহালু, দুপচাঁচিয়া ও আদমদিঘিতেও চাষ হয় মরিচ। তবে চাষের পরিমাণ কম হয়। জেলার সারিয়াকান্দির মরিচ চাষি রফিকুল ইসলাম জানান, লাল মরিচ গাছ থেকে সংগ্রহ করছে মশলা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ ও স্কয়ার কোম্পানী। তারা সারিয়াকান্দির ফুলবাড়িতে কৃষকের আঙিনাতে শুকাচ্ছে। লাল টোপা মরিচ কৃষকের আঙিনাতে শুকিয়ে তাদের প্রতিষ্ঠানের ফ্যাক্টরীতে নিয়ে যাচ্ছে।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here