বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার গ্যাস টেনে নিচ্ছে মায়ানমার

0
334

চীনের সহযোগিতায় মায়ানমার ২০১২ সালেই জরিপ, অনুসন্ধান কাজ শেষ করে। ২০১৪ সাল থেকেই তারা বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমার নিকটবর্তী এলাকা থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু করে। মায়ানমার সেন্টমার্টিনসের অদূরে বাংলাদেশের জলসীমায় কূপ খনন করতে উদ্যোগী হয়। নিশ্চিত তথ্য পাওয়ার পরই তারা অগ্রসর হয়। বাংলাদেশের যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়ে তাদের নিবৃত করা হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক: বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমার গ্যাস টেনে নিচ্ছে মায়ানমার। সেন্টমার্টিনস এর অদূরেই কূপ খনন করেছে তারা। এই কূপ দিয়ে তারা গ্যাস উত্তোলন করছে। বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার সংলগ্ন মায়ানমারের জলসীমায় তারা বিপুল গ্যাসের সন্ধ্যান পেয়েছে। ২০১২ সালেই তারা অনুসন্ধান কূপ খনন শুরু করে। এক বছর পরই গ্যাস উত্তোলন শুরু করে। বাংলাদেশ-মায়ানমার সমুদ্রসীমা অভিন্ন বৃহত্তর কাঠামো রয়েছে। তলদেশে মাটির স্তর ও প্রকৃতি একই রকম। কর্পোরেশনের জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা একই কাঠামোতে অবস্থান করায় বাংলাদেশের জলসীমার গ্যাস মায়ানমার কর্তৃক টেনে নেয়া অসম্ভব নয়। অভিন্ন ভূতাত্ত্বিক অবস্থানের কারনে তলদেশের এই প্রাকৃতিক সম্পদ টেনে নেয়া দুরুহ নয়। অবশ্য তা প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক তথ্য উপাত্ত পরীক্ষা ও বিশ্লেষন ভিত্তিক প্রমান সাপেক্ষ। বঙ্গোপসাগরে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে মার্কিন স্যাটেলাইট। চীন, ভারত, জাপান, রাশিয়াসহ আরো কয়েকটি দেশ বঙ্গোপসাগরের প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান ও উত্তোলনে আগ্রহী। যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক কোম্পানি এ ব্যাপারে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার প্রস্তাবও দিয়েছে। সমুদ্রের তলদেশে অনুসন্ধান ও উত্তোলন কাজ অনেক ব্যয়বহুল হলেও সরকার দেশের সম্পদ বিদেশিদের কাছে তুলে দিতে আগ্রহী নয়। লাভজনক অংশিদারিত্বে পরবর্তী ধাপে বিদেশি কোম্পানিকে নিয়োজিত করার চিন্তা রয়েছে। চীনের সহযোগিতায় মায়ানমার ২০১২ সালেই জরিপ, অনুসন্ধান কাজ শেষ করে। ২০১৪ সাল থেকেই তারা বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমার নিকটবর্তী এলাকা থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু করে। মায়ানমার সেন্টমার্টিনসের অদূরে বাংলাদেশের জলসীমায় কূপ খনন করতে উদ্যোগী হয়। নিশ্চিত তথ্য পাওয়ার পরই তারা অগ্রসর হয়। বাংলাদেশের যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়ে তাদের নিবৃত্ত করা হয়।

Share on Facebook