হাইটেক পার্ক : নির্মাণ ব্যয় বেড়েছে দেড়শ কোটি টাকা

0
30

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটে ‘হাইটেক পার্ক’ সিলেট ইলেকট্রক্সিসিটি স্থাপন করা হচ্ছে। বৃহত্তর সিলেটে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার ঘটবে এতে। এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে ২৯০ কোটি টাকা।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে নেয়া প্রকল্পটি ২০১৮ সালে শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। সিলেট জেলার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায় ১৬২ দশমিক ৮৩ একর জমির উপর এই হাইটেক পার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রথমে প্রকল্প ব্যয় ধরা হয় ১শ ৮৭ কোটি টাকা। কিন্তু মাটি ভরাট কাজ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এবং অবকাঠামোগত কাজের পরিধি বাড়ায় মোট নির্মাণ ব্যয়ও বেড়ে গেছে।
জানা যায়, ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতা, মাটি ও বালি ভরাট করতে সমস্যার কারণে প্রকল্প শুরু করতেই দেরি হয়। অবকাঠামোগত নির্মাণ কাজের জন্য প্রকল্প সংশোধন করায় বাস্তবায়ন কাজ বিলম্বিত হয়। ভূমি উন্নয়ন সময় সাপেক্ষ। ব্রিজ নির্মাণ, সীমানা প্রাচীর, এপ্রোচ রোড, প্রশাসনিক ভবন, বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশন, স্যুয়ারেজ লাইন, গ্যাস লাইন, ইউটিলিটি ভবন, ফাইবার অপটিস সংযোগসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ কাজ চলছে।
জানা যায়, ভূমি উন্নয়নের জন্য অতিরিক্ত সাড়ে চার লাখ ঘনমিটার বালি ও ৫০ হাজার ঘনমিটার মাটি প্রয়োজন। মূল চুক্তি অনুযায়ী ৩ লাখ ৪১ হাজার ৫শ’ ঘনমিটার মাটি ও সাইট উন্নয়নের জন্য ৩০ লক্ষ ৫৮ হাজার ঘনমিটার মাটি/বালি ভরাটের কর্মসূচি ছিল। বাঁধের কাজের জন্য বাড়তি প্রায় ৭৯ হাজার ঘনমিটার বালি ও সাইট উন্নয়নের জন্য ৮ লাখ ৪৯ হাজার ঘনমিটার অতিরিক্ত বালি লাগছে। এ’সহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে বর্ধিত ব্যয়, ট্যাক্স, ভ্যাটসহ অতিরিক্ত ১শ ৫০ কোটি টাকারও বেশি প্রয়োজন।
পানি উন্নয়ন বোর্ড মাটি, বালি ভরাটের কাজ করতে আগ্রহী ছিল। কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও নানাভাবে তদবির করে। মন্ত্রণালয় এদের কাউকেই কাজ না দিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে বেছে নিয়েছে। নৌবাহিনীর ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডকে এ দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা থাকলেও উল্লেখিত কারণে প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ এক বছর পিছিয়ে যাবে।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here