শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী ঘাটে ফেরি পারাপারে অপেক্ষায় পাঁচ শতাধিক গাড়ি

0
17

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি : দক্ষিণাঞ্চলের ঘরমুখো হাজার হাজার মানুষ নাড়ির টানে প্রমত্তা পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে গ্রামের বাড়ি ছুটছে। শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত প্রধান ফেরিঘাট শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী যেন ঘরমুখো মানুষের স্রোতে পরিণত হয়েছে। তবে, বৈরী আবহাওয়ায় গত তিন দিন পদ্মায় উত্তাল ঢেউ ও তীব্র স্রোত থাকায় ফেরি চলাচল ব্যাহত হয়। ফলে ফেরিঘাটে অপেক্ষায় আছে পাঁচ শতাধিক যাত্রীবাহী পরিবহন। ছোট-বড় নৌযানেও মানুষের উপচে পরা ভীড়ে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের তৎপরতার মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হচ্ছে। জানা গেছে, শুক্র ও শনিবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় একটু সময় লাগলেও ফেরি চলাচলে কোনো সমস্যা হয়নি। তবে গত তিন দিনের চাপ এসে পড়েছে শিমুলিয়া ঘাটের এক, দুই ও তিন নম্বর ঘাটে।এতে শিমুলিয়া ঘাটে প্রচÐ গরমের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।বিআইডবিøউটিসির শিমুলিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. নাসির জানান, ‘শুক্রবার ভোর থেকে শুরু করে শনিবার সকাল পর্যন্ত যাত্রী ও যানবাহনের চাপ রয়েছে। একসঙ্গে গাড়ি আসতে শুরু করায় ফেরিতে লোড-আনলোড করতে একটু সময় লাগছে। তবে চারটি রো রোসহ ১৭টি ফেরি দিয়ে চার শতাধিক ছোট গাড়ি পার করা হয়েছে আর পাঁচ শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে যাত্রীবাহী যানবাহনগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।‘এদিকে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডবিøউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আব্দুল আলিম জানান, ‘পদ্মায় তীব্র ঢেউ এবং বৈরী আবহাওয়া নেই। সকাল থেকে ফেরি চলাচলে বিঘœ না ঘটায় ঈদে গাড়ির চাপ সামাল দেওয়া গেছে। এখান থেকে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে পৌঁছাতে কম সময়ের কারণে যাত্রীদের আগ্রহ বেশি সিবোট। সকাল থেকে ঘরমুখো মানুষের বাড়তি চাপ অব্যাহত আছে লঞ্চ ও সিবোট ঘাটে।‘অন্যদিকে, জেলার লৌহজং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর হোসাইন জানান, ‘লঞ্চ ও স্পিডবোট ঘাটে যাত্রীর বাড়তি চাপ দেখা দিয়েছে। লঞ্চ ও সিবোটে অতিরিক্ত যাত্রী উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।‘

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here