দেড় দশকেও যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি

0
146

নিজস্ব প্রতিবেদক : তৃতীয় কর্ণফুলী সেতু ও নদীর দুই পাড়ে আট কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করার প্রকল্প নেয়া হয়েছিল ২০০১ সালে। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়েও প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি। সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম, পাবর্ত্য চট্টগ্রামসহ  সারাদেশের সঙ্গে চট্টগ্রাম ও পর্যটন নগরী কক্সবাজারেরর স্বল্প সময় ও ব্যয়ে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্যই প্রকল্পটি নেয়া হয়। উন্নয়ন সহযোগী নেদারল্যান্ডস এর ওরেট ও সিডা এতে অর্থায়নের প্রতিশ্রæতি দেয়। ৪৩৯ কোটি টাকার এ প্রকল্পে তারা ১৬২ কোটি টাকা দেয়ার সুস্পষ্ট প্রতিশ্রæতিও দেয়।  ২০০২ সালে শুরু করে ২০০৬ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন কাজ সম্পন্ন করার কথা। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রকল্প বাস্তবায়নে অস্বাভাবিক সময় ক্ষেপনের কারনে বিদেশিরা প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়ায়। তবে সরকারের অনুরোধে কুয়েত এগিয়ে আসে। তারা সাড়ে পনের মিলিয়ন কুয়েতি দিনারের সম পরিমান ৩৭২ কোটি টাকার ঋণও দেয়। কর্ণফুলী নদীর উপর ছয় লেনের ৯৫০ মিটার এক্সট্রোডোজড বক্স গার্ডার সেতু নির্মাণের জন্য কুয়েত ফান্ড ফর এ্যারাব ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট এই অর্থের জন্য সরকারের সাথে ঋণচুক্তি করে। ইতিমধ্যে প্রকল্প ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৫৯০ কোটি টাকা। কুয়েতি ঋণের বাইরে অবশিষ্ট অর্থ সরকার কর্তৃক যোগান দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সংশোধিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০০৯-১০ এরমধ্যে বাস্তবায়ন কাজ শেষ করার জন্য নির্ধারিত হয়। কিন্তু এই সময়েও প্রকল্পের কাজ শুরুই হয়নি। জমি অধিগ্রহনে জটিলতা, জমির পরিমান বৃদ্ধি, ইউটিলিটি স্থানান্তরে দীর্ঘ সময়ক্ষেপন বাস্তবায়ন কাজ বিলম্বিত করেছে। এই বিলম্ব ছাড়াও ব্রিজ এপ্রোচ সড়ক নির্মাণসহ কিছু কাজ নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় প্রকল্প ব্যয় আরো বেড়ে দাঁড়ায় ৭৯৮ কোটি টাকা।
জানা যায়, সড়কের পাশে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আবাসিক এলাকা রয়েছে। পাওয়ার প্ল্যান্টের জন্যও নির্ধারিত জমি বরাদ্দ রয়েছে। এই স্থানের ডিজাইন লেভেল এক মিটার উচুঁ। আবাসিক এলাকা, পাওয়ার প্ল্যান্ট এলাকা ও পাশের তিনটি গ্রামের পানি নিস্কাশনের জন্য অতিরিক্ত ড্রেন নির্মাণ করতে হবে। এতেও প্রকল্প ব্যয় বেড়ে যাবে

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here