উদ্বেগজনকহারে বেড়েছে বেকারত্ব : এক লক্ষ কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক : এক লক্ষ শিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, দক্ষ, আধাদক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক, অবকাঠামোগত উন্নয়নের সাথে পাল্লা দিয়েই যেন দারিদ্র্যের হার, ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য বেড়ে চলেছে। উদ্বেগজনকহারে বেড়েছে বেকারত্ব।  শিক্ষিত বেকারের হার। সামনের দিনগুলোর সম্ভাব্য বিপদ বিবেচনায় নিয়ে সরকার উন্নয়নের পাশাপাশি বেকারত্ব লাঘবের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও তা দ্রæত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন ফ্যাক্টরি স্থাপন ও বিদ্যমান ফ্যাক্টরিগুলোই নতুন কর্মসংস্থান হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে ‘এক্সপোর্ট কম্পেটিটিভনেস ফর জবস’ নামে একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ফুটওয়্যার, প্লাস্টিকস ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এই চারটি শিল্পখাতের নতুন কারখানা স্থাপন, বিদ্যমান কারখানাগুলোর কর্মপরিবেশ উন্নয়ন, সামাজিক ও পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা, পণ্যের গুণগত উৎকর্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এই প্রকল্পের মুখ্য উদ্দেশ্য। প্রকল্পের আওতায় দেশে আধুনিক টেকনোলজি সেন্টার স্থাপন করা হবে। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট এসএমই খাতকে রফতানি বাজার ও শিল্পের সঙ্গে যুক্ত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। উল্লেখিত চার খাতে আড়াইশ কারখানা রফতানি বাজারের জন্য প্রয়োজনীয় সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক মান অর্জন করবে বলে কর্তৃপক্ষ আশা করছে। এতে এক লাখেরও বেশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
জানা যায়, এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। আইডিএ, বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকার এ অর্থের যোগান দেবে। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের অর্থ সহায়তা দেয়া হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে চারটি বিদেশী ম্যানেজমেন্ট ফার্ম নিয়োগ করা হয়েছে। এদের পিছনে ব্যয় হবে ৫০ কোটি টাকা। আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ শেষ করা হবে।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here