কোয়েরি থেকে পাথর, বালি, সিলিকা বালি উত্তোলন নিষিদ্ধ

0
231

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট এলাকার চৌদ্দটি পাথর কোয়েরি এবং দেশের উত্তরাঞ্চলের পঁচিশটি কোয়েরি থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন ও বিপনন নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বলেই সরকার এ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্রে এ খবর জানা গেছে।
কোয়েরি থেকে পাথর, বালি, সিলিকা বালি আহরন করা হয়। কোয়েরি থেকে ও নদীতে ভাসমান অবস্থায় পাথর পাওয়া যায়। নদীর গর্ত খুড়ে পাথর সংগ্রহ করা হয়। সিলেট অঞ্চলে এ ধরনের চৌদ্দটি পাথরের কোয়েরি রয়েছে। এসব কোয়েরি থেকে বালি, সিলিকা বালিও উত্তোলন করা হয়। উত্তরাঞ্চলে প্রায় পঁচিশটি কোয়েরি রয়েছে। যেখান থেকে পাথর উত্তোলন করা হয়। সিলেট ও উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন কোয়েরি থেকে প্রায় ৩০ কোটি টাকার পাথর, বালি, সিলিকা বালি সংগ্রহ করা হয়। এতে পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। অবকাঠামোগত নির্মাণকাজে এগুলো ব্যবহৃত হয়। উত্তোলন ও আনা নেয়ার সময় ফসলী জমি, রাস্তা ব্যাপকভাবে বিনষ্ট হয়।
জানা যায় সরকার এসব কোয়েরি ইজারা দিয়ে বছরে মোটা অঙ্কের অর্থ পেলেও পরিবেশের যে ক্ষতি হচ্ছে তাতে স্থানীয়ভাবে ও কয়েকটি বিদেশি পরিবেশবাদী সংগঠন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এর প্রেক্ষিতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সিলেট ও উত্তরাঞ্চলের কোয়েরিগুলো ইজারা না দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে কয়েক হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়বে।
অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোগত নির্মাণ, রাস্তাঘাট নির্মাণ, সংস্কারের জন্য প্রধানত ভারত থেকে পাথর আমদানী করা হয়। মধ্যপাড়া খনি থেকে কিছু পাথর পাওয়া যায়। ভারত থেকে বছরে প্রায় ১৫ লাখ মে.টন পাথর আমদানী করা হয়। স্থানীয় কোয়েরিগুলোর ইজারা বন্ধ হওয়ায় ভারত থেকে পাথর আমদানীর পরিমান বেড়ে ২০ লাখ মে.টন দাঁড়াবে।

Share on Facebook