ড্রোন আমদানী ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ড্রোন ব্যবহার নিয়ন্ত্রিত করে নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। নীতিমালা লঙ্ঘন করে বেআইনী ব্যবহার শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গন্য হবে। খেলনার আড়ালে উন্নত মানের ড্রোন আমদানী নিয়ন্ত্রিত হবে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও ব্যক্তি কর্তৃক ড্রোন ব্যাপক ব্যবহার হওয়ায় নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি হয়ে দেখা দেয়। দেশের বিভিন্নস্থানে সচিবালয়, প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়, সশস্ত্র বাহিনীর স্থাপনা সমূহ সামরিক সরঞ্জামাদি, পুলিশ, র‌্যাবসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর স্থাপনা, সরঞ্জামাদি, রাষ্ট্রিয় ও সরকারি গুরুত্বপূর্ন স্থাপনাসমূহের ছবি ড্রোনের মাধ্যমে তোলার সুযোগ রয়েছে। নাশকতার উদ্দেশ্যে দেশি-বিদেশি মহল বিশেষ রাষ্ট্রিয় গুরুত্বপূর্ন ও সরকারি গোপন তথ্য যাতে কেউ সংগ্রহ করতে না পারে সেজন্য ড্রোন ব্যবহার নিয়ন্ত¿ন জরুরি হয়ে দেখা দেয়। জনকল্যানে ড্রোন ব্যবহারের প্রচুর সুযোগ থাকলেও স্বার্থান্বেষী মহল এর ব্যতিক্রমও ঘটাতে পারে।
খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী যেকোন সরকারি, বেসরকারি সংস্থা, ব্যক্তি বিদেশ থেকে ড্রোন আমদানী করতে পারবেন। তবে এজন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নিতে হবে। কিন্তু বিধি নিষেধ সাপেক্ষে অনুমতি দেয়া হবে।
প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহৃত ড্রোন একশ মিটারের উপরে উঠা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোন নিষিদ্ধ জোনে ড্রোন ফ্লাই করতে পারবেনা। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ সকল ভিআইপির মুভমেন্ট জোনে ড্রোন ব্যবহার করা যাবেনা। সাত কেজির বেশি ওজনের ড্রোন আমদানী ও ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে।
জানা যায়, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার বিজিবি, স্পারসো, এটমিক এনার্জি কমিশনসহ সরকারি সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের ক্ষেত্রে আমদানী ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোন নিষেধাজ্ঞা থাকবেনা। বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় ড্রোনের ফ্লাইং জোন নির্ধারণ করে দেবে। ড্রোনের চলাচল সার্বক্ষনিক পর্যবেক্ষনের জন্য কেন্দ্রীয় অবজারভেশন সেন্টার থাকবে।
বর্তমানে বিদেশ থেকে ড্রোন আমদানী করা হয় প্রধানত খেলনা হিসেবে ব্যবহারের জন্য। সুটিং সার্ভে পরিমাপ করা, প্রতিরক্ষার কাজে, সমুদ্র, বনাঞ্চলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহে ড্রোন ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here