একদিনে ৮৮৭ জন রোগী শনাক্ত, মৃত্যুও বেড়েছে

0
173

নিউজ ডেস্ক: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। একদিনে রোগী শনাক্তের হিসাবে এটাই সর্বোচ্চ। এ নিয়ে ১৪৬৫৭ জন আক্রান্ত হলেন। মৃত্যু হয়েছে ২২৮ জনের। রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে সরকারি বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বুলেটিন প্রকাশে অংশ নেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।
৫৭৩৮টি নমুনা পরীক্ষা করে এই রোগী শনাক্ত হয়েছে। তিনি জানান, মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১০জন, নারী চারজন। মারা যাওয়া নারীদের মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন, ৫১ থেকে ৬০ জনের মধ্যে একজন এবং ৬১ থেকে ৭০ জনের মধ্যে দুইজন। পুরুষদের মধ্যে ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে চারজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে তিনজন এবং ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২৩৬ জন এবং এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৫৭৩৮জন। তিনি বলছেন, সুস্থতার হার ১৮ দশমিক ১০ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ।
করোনা সন্দেহে নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ। ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৬টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে বলে জানান ডা. নাসিমা। আইসোলেশন প্রসঙ্গে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে আরো ১৬৯ জনকে। একইসময় আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৭১ জন। বর্তমানে আইসোলেনশনে আছেন দুই হাজার ১১৫ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন এক হাজার ১১৪ জন। জানানো হয়, সারা দেশে আইসোলেশন সংখ্যা আট হাজার ৬৩৪টি। ঢাকা মহানগরীতে দুই হাজার ৯০০টি এবং ঢাকা সিটির বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে আছে পাঁচ হাজার ৭৩৪টি। কোয়ারেন্টিন প্রসঙ্গেও তথ্য দেওয়া হয় বুলেটিনে। বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হোম এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন দুই হাজার ২১৮ জন। একইসময় কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড় পেয়েছেন দুই হাজার ৯৭৯ জন। আর এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টিনে গেছেন মোট দুই লাখ ১০ হাজার ৬২৩ জন। আর এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড় পেয়েছেন এক লাখ ৭৪ হাজার ২০১ জন। ছাড়ের পর বর্তমানে হোম এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন ৩৬ হাজার ৪২২ জন। সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৬১৫টি প্রতিষ্ঠান। এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ৩০ হাজার ৯৫৫ জনকে সেবা প্রদান যাবে বলে জানানো হয় বুলেটিনে। বুলেটিনে আরো জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য বাতায়ন এবং আইইডিসিআর’র হটলাইনে কল এসেছে এক লাখ ৩৫ হাজার ১৬৯টি। এসব কলে সবাইকে স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসকের সংখ্যা বেড়েছে আরো ১৫ জন। এ নিয়ে এখন মোট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৭০১ জনে।

Share on Facebook