ইয়েমেনে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত

0
78

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইয়েমেনে ব্যতিক্রমী গ্রীষ্মম-লীয় ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে। ফলে দেশটির যুদ্ধপীড়িত একটি অঞ্চলে ভারী বন্যা ও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ওই অঞ্চল আল কায়েদার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
মৎস্যসম্পদ মন্ত্রী ফাহাদ কাফেইন মঙ্গলবার বলেন, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের হাদরামাত ও শাবওয়া প্রদেশে ঘূর্ণিঝড় চাপালা আঘাত হানে। এ সময় ঘন্টায় ১শ’ কিলোমিটারেরও বেশি বেগে বাতাস বয়ে যাচ্ছিল।
তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি ও প্রাণহানির আশংকা করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে। ঝড়টি এর আগে ইয়েমেন ভূখ-ের ৩৫০ কিলোমিটার অদূরে সোকোতরা দ্বীপে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
দ্বীপের প্রধান জেলা হাদিবোর মেয়র সালেম জহির বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে ২শ’র বেশি লোক আহত এবং বেশ কিছু ঘরবাড়ি ও কুঁড়ে ঘরের ব্যাপক ক্ষতি অথবা বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। সামাজিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ছবিতে দেখা গেছে, হাদরামাতের রাজধানী মুকাল্লার বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে দারিদ্র্য ও অস্থিরতায় ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ইয়েমেনিদের দুর্দশা আরো বেড়েছে।
বিভিন্ন গাড়ি অর্ধেক পর্যন্ত কাদা পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে এবং সমুদ্রমুখী সড়কগুলোর বিশাল বিশাল ঢেউয়ের আঘাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থা সোমবার জানায়, চাপালার প্রভাবে এ অঞ্চলে যে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে তা আগে কখনো হয়নি। এখানে সাধারণত ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে না। এটি ব্যতিক্রমী একটি ঘটনা।
ভারতের আবহাওয়া সংস্থার সঙ্গে তথ্য হালনাগাদ করে জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থা আরো জানায়, ঘূর্ণিঝড়ের সময় বাতাসের একটানা গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ১৩০ কিলোমিটার যা ঝড়ো বা দমকা আকারে ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল। তবে ঘূর্ণিঝড়টি এখন দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং আগামী ১২ ঘন্টায় তা গ্রীষ্মম-লীয় লঘুচাপে পরিণত হতে পারে।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here