অলৌকিক ভাবে ঝরে গেলো আফরিনের প্রাণ

0
2366

নিজস্ব প্রতিবেদক : হাসনাবাদ মোকামপাড়াস্থ ঢাকা জুট মিলস এর পচ্শিম পাশ ও ইকুরিয়া কবরস্থানের পূর্ব পাশে বালুর মাঠে জোড়া পুকুর খ্যাত হাটু মানির পুকুরে অলৌকিক ভাবে প্রান দিল শেখ আসলাম মিয়ার একমাত্র মেয়ে আফরিন আক্তার (৯)। পারিবারিক ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, রবিবার শেষ দুপুরে প্রতিবেশী ও সহপাঠি বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে পুকুরে যায় আফরিন। অলৌকিক নীলা খেলায় এটাই যে আফরিনের জীবনের শেষ গোসল হবে পরিবার ,পরিজন , প্রতিবেশী কেউ কখনও ভাববেই পারেনি। তবে বিধি বাম ,পুকুরের গভীরতা চেয়ে আফরিনের উচ্চতা বেশী হওয়া ,সেই সঙ্গে  আফরিনের সাতাঁর জানা । তার পরও আফরিনের না ফেরার দেশে চলে যাওয়ার ঘটনা এলাকাবাসীর মাঝে নেমে আসে শোকের শায়া। পুকুর টি নিয়ে এলকায় মাঝে নানা ধরনের প্যারানরমাল কথা প্রচলিত আছে। সেই ধারাবাহিকতায়ই আফরিনের না ফেরার দেশে চলে যাওয়া বলে এলাকাবাসীর দাবী। জানা যায় পানি কম থাকায় আফরিন আরো দুই সহপাঠির সঙ্গে পুকুরের পানিতে খেলা করছিল,হঠাৎ সহপাঠি দুই বন্ধু আফরিনকে পুকুরে দেখতে না পেয়ে বাড়ীতে এসে পরিবারের লোকজনকে জানায়। আফরিন নিখোজঁ হওয়ার কথাশুনে প্রতিবেশীরা পুকুরে নেমে খোজঁতে থাকে। অতীতেও এরকম ভাবে ঘটে যাওয়া ঘটনার সুত্র ধরে লিটন নামের এক প্রতিবেশী পুকুরের পানিতে নামে। কিছু দুর যেতেই লিটন এর পায়ের সঙ্গে আফরিনের দেহ স্পর্শ করলে লিটন অনেট ভয় পেয়ে যান । লিটন জানায় আফরিনের দেহের অনেকা কাত হয়ে মাটির নীচে এবং তার অপর হাত উপর দিকে ছিল। লিটন তাৎক্ষনিক আফরিনকে উপরে তুলে আনেন। ইতিমধ্যে আফরিন না ফেরার দেশ চলে গেছে। আফরিনকে পানি থেকে তোলার পর দেখা যায় তার চেহার এক অংশ নীল হয়ে গেছে ্ পানির নীচে আফরিন একটু পানিও খায়নি। প্রাথমিক বাবে চেষ্টোর পর আফরিনকে স্থানীয় হাসনাবাদ ক্লিনিকে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাতে মৃত ঘোষনা করেন। আফরিনের এ মর্মান্তিক মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে স্থানীয় ওর্য়াড় মেম্বার মো: সেলিম ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। আফরিনের অকাল এমন অলৌকিক মৃত্যুতে তিনি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন । এমন মৃত্যুতে শোকশপ্ত পরিবারকে শান্তনা দেওয়ার ভাষা হারিয়ে ফেলেন। তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান-এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া সত্যি কষ্টকর। তারপর আল্লাহর বিধান মেনে নিতেই হবে।আফরিনের শেষ বিদায় ব্যাবস্থার আয়োজনে তিনি দুই হাজার টাকা প্রদান করেন।এবং আফরিনের পিতা-মাতাকে শান্তনা জানান।

Share on Facebook