ওহবিগঞ্জ শহরে ‘বিকাশ’ ব্যবসায়ীর ৮০ হাজার টাকা কৌশলে হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্র

0
195

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : হবিগঞ্জ শহরের চিড়াকান্দি এলাকায় ‘বিকাশ’ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা কৌশলে হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্র। ৮০ হাজার টাকা খোয়া যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন। এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ বিকাশ কাস্টমার অফিসে যোগাযোগ করে কোন সদুত্তরও পাননি তিনি।
২৪ মে মঙ্গলবার রাত ১০টায় চিড়াকান্দি এলাকায় পপি পাবলিক স্টোরের পরিচালক ইমরানের বিকাশ নাম্বারে একটি অপরিচিত নাম্বার (০১৮৩৯৩১৬২৪৭) থেকে কল আসে। ফোনটি রিসিভ করে তার সন্দেহ হলে তিনি কথা না বলে ফোনটি রেখে দেন।
কিছুক্ষণ পর বিকাশ অফিসের আরেকটি নাম্বার (+৮৮৮০১৭৭৮৮৬৬৮৮৮) থেকে কল আসলে নাম্বারটি পরিচিত হওয়ায় তিনি রিসিভ করে কথা বলেন। পরে বিভিন্ন নাম্বারে চাপ দেয়ার কথা বলে কৌশলে তার বিকাশে থাকা ৮০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। পরে তিনি বিকাশের ব্যালেন্স চেক করে বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
ইমরান জানান (+৮৮৮০১৭৭৮৮৬৬৮৮৮) নাম্বার থেকেই তাকে বিকাশ ব্যালেন্স দেয়া হতো। তাই ওই নাম্বারটি থেকে কল আসায় তিনি সব তথ্য দিয়ে দেন। এ ব্যাপারে বিকাশ অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করলে টেরিটরি ম্যানেজার মোঃ সালেহীন বিন আমিন জানান, ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রতারকরা একই নাম্বার ব্যবহার করে প্রতারণা করে যাচ্ছে, তবে নাম্বারটির সব মিল থাকলেও একটি অংক (+৮৮৮) বেশী আছে।
তিনি আরও জানান, বিকাশ এজেন্টরা যাতে প্রতারণার শিকার না হয় সে বিষয়ে আমরা রীতিমতো মনিটরিং করছি, প্রতারণা এড়াতে আমরা সচেতনতামূলক বিভিন্ন ধরনের লিফলেটও টানিয়ে দিচ্ছি দোকানগুলোতে। এদিকে সাধারণ মানুষের ধারণা (+৮৮০১৭৭৮৮৬৬৮৮৮) দিয়ে যে ওই এলাকায় বিকাশ পেমেন্ট করা হয় ওই তথ্যটি প্রতারকরা কিভাবে জানে। তবে কি বিকাশে কর্মরত কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারি তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে? তাছাড়া ওই ব্যবসায়ীর মোবাইলে যে এত ব্যালেন্স আছে সেটাই বা প্রতারকরা কিভাবে জানে? এমন আলোচনা করছেন অন্যান্য বিকাশ ব্যবসায়ীরা।
আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যাপারে টেরিটরি ম্যানেজারের কাছে পরামর্শ চাইলে তিনি বিষয়টি তেমন গুরুত্ব দেননি, তিনি বলেন এমন হাজারো মামলা থানায় ঝুলে রয়েছে, কোন লাভ হয়নি এখন পর্যন্ত।
এদিকে প্রতারণার শিকার হয়ে দিশেহারা এই ক্ষুদে ব্যবসায়ী। কোন উপায়ন্তর না পেয়ে অবশেষে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here