বিতর্কে হিলারিকে বিজয়ী বলছেন অধিকাংশ দর্শক ‍॥ মুসলিমদের সঙ্গে নিয়েই সন্ত্রাস রুখব : হিলারি

0
82

কালবেলা ডেস্ক : সব মুসলিমকেই শত্রু ভাবাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। সন্ত্রাসবাদের জন্য সব মুসলিমকে দোষারোপ করাটাও বিচক্ষণতার কাজ নয়। আমেরিকায় যে মুসলিমরা রয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে নিয়েই সন্ত্রাসবাদকে নির্মূল করার কাজে তিনি নামতে চান বলে জানিয়ে দিলেন আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী হিলারি ক্লিন্টন। জানালেন, তিনি প্রেসিডেন্ট হলে সন্ত্রাসবাদকে নির্মূল করাটাই হবে মার্কিন প্রশাসনের ‘প্রাইম টার্গেট’। প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য। আর জানালেন, সন্ত্রাসবাদী সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)-কে চলতি বছরেই ইরাক থেকে ধুয়েমুছে সাফ করবেন তিনি। তার অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই মিত্র দেশগুলিকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আইএস-কে সিরিয়া-ছাড়া করবেন।
মার্কিন মুলুকে নির্বাচনের আগে যে তিনটি মুখোমুখি প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেট হয়, মঙ্গলবার তার প্রথমটি হয়েছে লং আইল্যান্ডের হফস্ট্রা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ওই ডিবেটেই সঞ্চালক (মডারেটর) লেস্টার হল্টের প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার এ কথা বলেছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী। কীভাবে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় নামবে তাঁর প্রশাসন, এই প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি বিঁধেছেন হিলারি। বলেছেন, ‘‘উনি (ট্রাম্প) দেশে (আমেরিকা) ও বিদেশে থাকা মুসলিমদের সম্পর্কে লাগাতার অপ্রীতিকর মন্তব্য করে চলেছেন। তাঁদের অপমান করে চলেছেন। আমি মুসলিমদের আস্থা ফিরে পাওয়ার ওপরেই বেশি গুরুত্ব দিতে চাইছি। গুরুত্ব দেব। এই ভাবেই আমেরিকায় সন্ত্রাসবাদকে আরও বেশি করে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা যাবে। যদি কিছু থেকেও থাকে, মার্কিন মুলুকে থাকা মুসলিমদের সেই ন্যূনতম সমর্থনটুকুও হারাবে সন্ত্রাসবাদ। আর এটাই ইন্ত্রাসবাদকে অসাড় করে দেওয়ার সেরা হাতিয়ার হতে পারে। পাশাপাশি গোয়েন্দা-জালটাকে আরও নিখুঁত করে তুলব। আর সেই জালটাকে আরও বেশি করে তৃণমূল স্তর পর্যন্ত ছড়িয়ে দেব। ছড়িয়ে দেব ইউরোপেও। যাতে খড়ের গাদা থেকেও ছুঁচ খুঁজে বের করা যায়।’’
এ ব্যাপারে কী ভূমিকা হবে ট্রাম্প প্রশাসনের? মডারেটরের প্রশ্নের জবাবটা সুকৌশলে কিছুটা এড়িয়ে গিয়ে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘আমার মতামতটা আমি তো আগেই দিয়েছি। অনেক বার দিয়েছি। একই কথা…’’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের যাঁরা বিশেষজ্ঞ, তাঁরা বলছেন, সন্ত্রাসবাদ দমনের কৌশল বাতলে প্রথম দানেই বাজিমাত করে দিয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিন্টন। মার্কিন মুলুকে আরও বেশি করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা ও আয়কর প্রসঙ্গেও দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিলারি ও ট্রাম্পের অবস্থানের ফারাকটা ধরা পড়েছে এ দিনের বিতর্কে। যেমন ফারাক ধরা পড়ছে বন্দুক আইন কঠোরতর করার প্রশ্নেও। হিলারি স্পষ্টই জানিয়েছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট হলে ধনীদের ওপর অনেক বেশি করে আয়করের বোঝা চাপাবেন। নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাটাও হবে তাঁর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। আর এই প্রশ্নে মেক্সিকো নিয়ে ট্রাম্পের ‘রক্ষণশীলতা’ আরও বেশি করে প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। আর বন্দুক আইন কঠোরতর করার ব্যাপারে যতটা দৃঢ়তা হিলারির কথায় বেরিয়ে এসেছে, তার বিন্দুমাত্র লেশ ছিল না ট্রাম্পের জবাবে।
হিলারি-ট্রাম্প বিতর্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম টেলিভিশন বিতর্কে মঙ্গলবার অংশ নেন হিলারি ক্লিনটন ও ডোনাল্ড ট্রাম্প । মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম টেলিভিশন বিতর্ক পরস্পরকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক বাক্যবাণ ছুড়েছেন দুই প্রধান প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। নব্বই মিনিটের ওই বিতর্কে অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, কর, বর্ণবাদ আর নিরাপত্তা ইস্যুগুলো প্রাধান্য পেয়েছে। কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই প্রার্থী পরস্পরকে লক্ষ্য করে বরং কাদা ছোড়ার চেষ্টাই বেশি করেছেন । দুই প্রার্থী পরস্পরের বক্তব্যের মাঝেই অন্যজনকে থামিয়ে পাল্টা জবাব দেয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে বিতর্ক নির্ধারিত বিষয়বস্তু ছাড়িয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণেও রূপ নেয়। এই বিতর্কটিকে মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিতর্ক হিসাবেও মনে করা হচ্ছে। হিলারি ক্লিনটনের প্রতি উপহাস করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, প্রেসিডেন্ট হবার যথেষ্ট ধৈর্য তাঁর নেই। অন্যদিকে হিলারি ক্লিনটন  ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আয়করের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনেন। পাল্টা জবাব হিসাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে হিলারি ক্লিনটনের ব্যক্তিগত ৩৩ হাজার ইমেইল প্রকাশ করলে তিনিও তাঁর আয়কর বিবরণী প্রকাশ করবেন।
হিলারি ক্লিনটন বলেন, তিনি তাঁর ওই ভুলের কোন অজুহাত দিতে চাননা এবং সেই কাজের দায়িত্ব তিনি বহন করেন। মার্কিন নির্বাচনে প্রথম টেলিভিশন বিতর্ক নিয়ে টুইটারে ছিল ব্যাপক আগ্রহ
হিলারি ক্লিনটনকে ব্যাঙ্গ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আপনি প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকেই আইসিসের (ইসলামিক স্টেট) বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। পাল্টা উত্তরে হিলারি ক্লিনটন বলেন, আপনি তো মেয়েদের শুকর, অলস আর কুকুরের সঙ্গে তুলনা করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ আনেন মিসেস ক্লিনটন। রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রশংসা করে দেয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের জের টেনে হিলারি ক্লিনটন বলেন, আমেরিকায় হ্যাকিং করার জন্যে প্রকাশ্যে পুতিনকে তিনি যে আহবান জানিয়েছেন, সেটা দেখে আমি হতবাক হয়েছি। এটা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায়না। তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসাবে যোগ্য নন। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এই বিতর্ক টেলিভিশন ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি দেখা বিতর্ক অনুষ্ঠান বলে ধারণা করা হচ্ছে। সারাবিশ্বে ১০ কোটিরও বেশি মানুষ অনুষ্ঠানটি সরাসরি দেখেছেন। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকাল ৭টায় এই বিতর্ক শুরু হয়। বিতর্ক উপস্থাপনা করেন এনবিসি টিভির লেস্টর হল্ট। ৮ই নভেম্বর আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তার আগে এই দুই প্রধান প্রার্থী আরো দুইটি টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নেবেন।

বিতর্কে জয়ী হিলারি সিএনএন জরিপ :  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ডেমোক্র্যাটিক ও রিপাবলিকান পার্টির দুই প্রার্থীর প্রথম টেলিভিশন বিতর্ক শেষে হিলারিকে বিজয়ী বলছেন অধিকাংশ দর্শক।
সিএনএন/ওআরসি’র এক জরিপে বিতর্ক দেখা দর্শকের ৬২ শতাংশ হিলারি আর ২৭ শতাংশ ট্রাম্পকে জয়ী বলে রায় দিয়েছেন। সোমবার রাতে নিউইয়র্কের হেম্পস্টেডে হোফসট্রা বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রাম্প ও হিলারির মধ্যে ৯০ মিনিটের মুখোমুখি বিতর্ক হয়।  এতে দুই প্রার্থী অভিবাসননীতি, ইরাক যুদ্ধ, পরমাণুঅস্ত্র, পররাষ্ট্র নীতিসহ চলমান বিশ্ব পরিস্থিতি ও তাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা কেমন হওয়া উচিত তা নিয়ে উত্তপ্ত বাকযুদ্ধে নামেন। বিতর্ক শেষ হওয়ার ঘন্টাখানেকের মধ্যে ৫২১জন দর্শকের মধ্যে জরিপ চালায় সিএনএন/ওআরসি। এতে অংশ নেয়া দুই-তৃতীয়াংশ নিবন্ধিত ভোটার জানিয়েছেন, হিলারি তার বক্তব্য ট্রাম্পের চেয়ে ভালোভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছেন। ২০১২ সালে হওয়া একই ধরনের বিতর্কে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী মিট রমনি ও বারাক ওবামার মধ্যেও পার্থক্য এ রকম ছিল বলে জানিয়েছে সিএনএন।সেবারের বিতর্কে মিট রমনি ‘প্রভাব বিস্তার’ করলেও শেষ পর্যন্ত মার্কিন জনগণের ভোটে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী বারাক ওবামাই শেষ হাসি হাসেন।
এবারের বিতর্ক শেষে উদ্বিগ্ন ভোটারদের ৫৭ শতাংশকে হিলারি প্রভাবিত করতে পেরেছেন বলে সিএনএনের জরিপে উঠে এসেছে। ট্রাম্প প্রভাবিত করতে পেরেছেন ৩৫ শতাংশকে।
জরিপে অংশ নেয়া ৫৬ শতাংশ বলেছেন- হিলারি ‘শক্তিশালী নেতা’; ট্রাম্পকে এ অভিধা দিয়েছেন ৩৯ শতাংশ। বিতর্কে ডেমোক্রেট প্রার্থী সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন প্রতিদ্বন্দ্বীকে ঘায়েল করতে চেয়েছেন জাতিগত বিদ্বেষ, লিঙ্গ বৈষম্যমূলক আচরণ এবং কর খেলাপের মত অভিযোগ এনে। অন্যদিকে আবাসন ব্যবসায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রতিপক্ষের মন্ত্রিত্বের দিনগুলোতে কাজের সমালোচনা করেছেন, প্রশ্ন তুলেছেন বাণিজ্য চুক্তির ক্ষেত্রে হিলারির আন্তরিকতা নিয়ে।
হিলারি ও ট্রাম্পের এ টেলিভিশন বিতর্ক ১০ কোটি দর্শক সরাসরি দেখেছেন বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বিতর্কে দুই প্রার্থীর মধ্যে কাকে বেশি আন্তরিক ও খাঁটি মনে হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে সিএনএন/ওআরসির জরিপে অংশ নেয়া ৫৩ শতাংশ দর্শকের রায় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট দলের মনোনীত প্রার্থী। ট্রাম্পকে আন্তরিক বলছে ৪০ শতাংশ।
তবে প্রতিপক্ষকে আক্রমণের ক্ষেত্রে ট্রাম্প হিলারিকে ছাপিয়ে গেছেন। ৫৬ শতাংশ দর্শকের মতে, প্রতিপক্ষকে ধরাশায়ী করতে ট্রাম্প বেশি সময় দিয়েছেন। হিলারির প্রতি এ মুগ্ধতা মাত্র ৩৩ শতাংশের। সিএনএন বলছে- জরিপে দেখা গেছে, হিলারি-ট্রাম্পের বিতর্ক দেখতে আগ্রহী বেশিরভাগ দর্শকই ছিলেন ডেমোক্র্যাট দলের সমর্থক।
তবে নিরপেক্ষ দাবি করা ভোটাররাও বিতর্ক শেষে হিলারিকে বিজয়ী হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়েছেন। তাদের ৫৪ শতাংশ হিলারিকে আর ৩৩ শতাংশ ট্রাম্পকে জয়ী বলে মনে করেন।
বিতর্কে হিলারি ‘আশাতীত ভালো’ করেছেন বলেও জরিপে উঠে এসেছে। বিতর্কের আগে হওয়া জরিপে হিলারি ২৬ পয়েন্টে ট্রাম্পকে পরাজিত করবেন বলে ধারণা করা হলেও পরে দেখা গেছে দু’জনের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৩৫ পয়েন্ট।
তবে জরিপে অংশ নেয়া ৪৭ শতাংশ ভোটার জানিয়েছেন, এই বিতর্ক তাদের ভোটে প্রভাব ফেলবে না। অন্যদিকে ৩৪ শতাংশ বলছে, বিতর্ক শেষে তারা হিলারিকে পছন্দ করা শুরু করেছেন। ১৭ শতাংশের সমর্থন ট্রাম্পের দিকে ঘুরেছে। পুরো বিতর্ক দেখেছেন এমন ভোটারদের ৬২ শতাংশ বলছেন, পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে হিলারিকে ট্রাম্পের চেয়ে বেশি দক্ষ বলে মনে হেয়েছে। এক্ষেত্রে ট্রাম্পের পক্ষে সমর্থন মাত্র ৩৫ শতাংশ। সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় হিলারির নীতির প্রতিও সমর্থন জানিয়েছেন জরিপে অংশ নেয়া ৫৪ শতাংশ ভোটার। তবে ৪৩ শতাংশ মনে করেন ট্রাম্পের হাতেই বিশ্ব থেকে সন্ত্রাস দমন সম্ভব। অর্থনীতির ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী এ দু’জনের পার্থক্য অবশ্য বেশ সুক্ষè। এ বিষয়ে ৫১ শতাংশ হিলারিকে আর ৪৭ শতাংশ ট্রাম্পের প্রতি তাদের পছন্দের কথা জানিয়েছেন। জরিপে অংশ নেয়া ৫৫ শতাংশই ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য ‘অযোগ্য’ বলে মনে করেন। বিপরীতে ৪৩ শতাংশ মনে করেন, এ পদের জন্য ট্রাম্পই উপযুক্ত। কোনো দলের নিবন্ধিত নন, এমন ভোটারদের মধ্যেও ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হওয়া যৌক্তিক না অযৌক্তিক- এই বিভাজন বেশ প্রকট। ৪৯ শতাংশ নিরপেক্ষ ভোটার মনে করেন, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট পদে অযোগ্য, বিপরীত রায় ৫০ শতাংশের।
৬৭ শতাংশ দর্শক ট্রাম্পের উপর হিলারির আক্রমণ এবং রিপাবলিকান প্রার্থীর বিরুদ্ধে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা মেনে নেন। হিলারির ক্ষেত্রে ট্রাম্পের করা বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা সমর্থন করেন ৫১ শতাংশ ভোটার।
এনবিসি টিভির লেস্টর হল্ট বিতর্ক সঞ্চালনা করেন। চূড়ান্ত ভোটের আগে আরও দুটি বিতর্কে দেখা যাবে হিলারি ও ট্রাম্পকে। প্রতিদ্বন্দ্বী এ দুই প্রার্থীর বিতর্ক নিয়ে সরগরম ছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও।
টুইটার জানিয়েছে, বিতর্কের সময় ৬২ শতাংশ ব্যবহারকারী ট্রাম্পের নাম উল্লেখ করে টুইট করেছেন, হিলারির নাম লিখেছেন ৩৮ শতাংশ ব্যবহারকারী।
অন্যদিকে, রয়টার্সের সোস্যাল সেন্টিমেন্ট ট্র্যাকারেও বেশিরভাগ ব্যবহারকারী ট্রাম্পকে উদ্ধৃত করছেন। ৮ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে হওয়া সর্বশেষ জরিপগুলোতে দুই প্রার্থীর পক্ষে কাছাকাছি জনসমর্থন লক্ষ্য করা গেছে। বিবিসির সর্বশেষ জরিপে হিলারির পক্ষে ৪৮ শতাংশ আর ট্রাম্পের পক্ষে ৪৬ শতাংশ সমর্থনের কথা বলা হয়েছে।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here