হিমিকা-প্রান্ত ও বাংলা ওসিআর

0
197

মোস্তাফা জব্বার : হিমিকার সঙ্গে আমার প্রথম দেখা ৫ আগস্ট ১৪, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায়। আমার আগে থেকেই পরিচিত সুফিকে সঙ্গে করে ও এসেছিল আমার আরামবাগ অফিসে। আমি এর কারণ জানতাম না। সুফি আমাকে ফোন করে বলেছিল, অফিসে থাকবেন তো, হিমিকাকে নিয়ে আসবো। এরপর সুফির ফোনে হিমিকাও কথা বলেছিল। বলেছিল, ভালো আছেন, আমরা আসছি। আমি জানতাম, হিমিকার সঙ্গে সুফির পরিচয় আছে। আমি সুফিকে চিনি অনেক আগে থেকে। সেই কবে, ২০০৯ সালের দিকে সে আমাকে প্রযুক্তিতে ঝিনাইদহ আর প্রযুক্তিতে কুষ্টিয়ার অনুষ্ঠানে নিয়ে গিয়েছিল, তখন থেকেই পরিচয়। এরপর আমরা নবীন উদ্যোক্তাদের নিয়ে একটি বাণিজ্য সংগঠন করার চেষ্টা করছি। অবশ্য সংগঠন নিয়ে সুফির চাইতেও বেশি যোগাযোগ হয় রোমেলের সঙ্গে। সেদিন ওরা সন্ধ্যা ৬টায় আসবে বলেছিল। কিন্তু সেই সময়ে আসতে পারেনি। এসেছিল প্রায় ৭টায়। তবুও আমি ওদের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। হিমিকার ছবি দেখেছিলামÑ সুন্দর, ফুটফুটে একটি মায়াবী মুখ। ফেসবুকে সে আমার বন্ধু বলে ওর নিজের ও পরিবারের ছবিগুলো প্রায়ই চোখে পড়ে। মুখে সব সময়েই হাসিটা লেগে থাকে। আমার সামনে যখন বসলো, তখনো তাই দেখলাম। তখনই সে আমাকে জানালো যে, আগস্টের ৭ তারিখ সকালে ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে সে তার ওসিআর সফটওয়্যারটির উদ্বোধন করবে এবং আমাকে থাকতে হবে। আমি আরো জেনেছিলাম অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং জুনায়েদ আহমদ পলকও অনুষ্ঠানে থাকবেন। আমি রাজিতো হলামই বরং ওদের সাহসের প্রশংসাও করলাম।
এর আগে হিমিকার ওসিআর সফটওয়্যার সম্পর্কে নানা তথ্য দিয়েছেন রোকনউদ্দিন মাহমুদ। সেই সূত্র ধরেই আমি ফেসবুকে হিমিকাকে একটা ম্যাসেজ দিই এবং পরে ওর সঙ্গে ফোনে কথা বলি। এরপর হিমিকা বেসিসে নির্বাচন করে। তখনই জানি যে হিমিকারা তাদের সব সম্পদ একত্রিত করে এমন একটি কাজ করছে। বহুদিন যাবৎ সরকারের সহায়তা চাইছেÑ কিন্তু কোনো ফল নেই। বরং সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব অল্প কিছু টাকা দিয়ে হিমিকাদের উন্নয়ন করা সফটওয়্যার ও সোর্স কোড কিনে নিয়ে সেটি ফ্রি বিতরণ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। আমি হিমিকার কাছ থেকে সেদিন জানতে চেয়েছিলাম, এমন অবস্থায় তোমরা কি করবে? হিমিকা বলেছিল, আপনি কি করতে বলেন। আমি আমার মতো করেই তাকে উপদেশ দিয়েছিলাম, নিজে এই পণ্য বাজারে আন এবং লাইসেন্স বিক্রি কর। সোর্স কোড বিক্রি করে তোমার ফায়দা হবে না। হিমিকা জানালো, তারাও একই ধারায় ভাবছে। ওরা ওসিআর কে একটি বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে বাজারে ছাড়তে চায়। আমি সেদিন এই মেয়েটির সাহসের প্রশংসা করেছিলাম। সেদিন জানতাম না হিমিকার পেছনে আরো এক উজ্জ্বল তরুণ আছে, যার নাম প্রান্ত। আগের তথ্য ধরেই যখন হিমিকা ৭ আগস্টের অনুষ্ঠানের দওায়াত দিলো তখন অনেক খুশি হলাম।
যাবার সময় মেয়েটি একটি অপ্রত্যাশিত কাজ করলো। আমার বুকের মাঝে একটি ছোট্ট বালিকার মতো মাথাটা রেখে বললো, বাবা তুমি আমাদের জন্য দোয়া কর। আমি প্রায় হতচকিত হয়ে পড়েছিলাম। আমার কন্যার ভাগ্য এমনিতেই ভালো। নিজের দুটি কন্যা ছাড়াও দেশজুড়ে আমার অনেকগুলো মেয়ে আছে। যশোরের দোলন বিশ্বাস, হাজিগঞ্জের খাদিজা, হবিগঞ্জের ইশা, ঢাকার তানিয়া ও নওগাঁর জয়াতো (প্রয়াত) আছেই কোথাও নবীনদের নিয়ে একটি সেমিনার বা ক্লাস করলেই আমি দুয়েকটি কন্যা পেয়ে যাই। ওরা পিতার মতো কেবল সম্মান করে না, ভালোবাসে এবং ব¯‘ত প্রায় প্রতি সময়ই খোঁজ খবর রাখে। এর মাঝে কিছু নাতি-নাতনিও আছে। তানিয়ার মেয়েটি আমার বিজয় শিশুশিক্ষার ভক্ত। হবিগঞ্জের আরিয়ান আমাকে শিশুশিক্ষা দাদু বলেই জানে। সেই প্রেক্ষিতে হিমিকা বাবা ডাকলে চমকে ওঠার কোনো ঘটনা নয় কিন্তু এমন উদ্যোগী, সাহসী একটি মেয়ের কাছ থেকে এতোটা সম্মান আমি আশা করিনি। হিমিকার বয়সেরই আরেকটি মেয়ে তথ্যপ্রযুক্তিতে কাজ করে। ওর নাম সেজুতি। সে অবশ্য মামা ডাকে। তার মামা আমাদের বন্ধু ছিল বলে মামাটাই তারও পছন্দ। তবে সম্মানটা করে বাবার মতো। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তিতে আমার জানামতে দুঃসাহসী তিন যুবতি কাজ করেন। হিমিকা ও সেজুতি ছাড়াও আমার সঙ্গে সরাসরি কাজ করেন আরেকজন নারী যার নাম জেসমিন জুঁই। বিজয় শিশুশিক্ষা তার সৃষ্টি। এদের সৃজনশীলতায় আমি মুগ্ধ। ৭ আগস্ট অনুষ্ঠানের দিন আমি সাড়ে ১০টায় পৌঁছাতে পারবো এমন হিসাব করে বের হলেও শাহবাগের জ্যামের জন্য নির্ধারিত সময় ১১টায় আমি সিরডাপ মিলনায়তনে পৌঁছাই। মিলনায়তনের গোড়াতেই হিমিকাকে দেখছিলাম। সিল্কের সাদা-সোনালী পাড়ের কাঞ্জিভরম সিল্ক শাড়িতে উজ্জ্বল মুখটা আরো উজ্জ্বল মনে হচ্ছিল। হাসতে হাসতে এগিয়ে এসে বললো, এসো বাবা, তোমার সঙ্গে আসল লোকটার পরিচয় করাই। একটি তরুণকে পাশে দাঁড়ানো দেখলাম। সুফিও পাশেই ছিল। তরুণটির মুখের দাড়ি এমন যে, সম্ভবত দাড়ি ওঠার পর সে কোনোদিন আর সেটি কাটেনি। রবীন্দ্রনাথের তরুণ বয়সের দাড়ির মতো। মুখে অনাবিল হাসি। আমার সঙ্গে হাত মিলিয়েই বললো, আপনি আমার আইডল, আমার আদর্শ। আমি অবাক হলাম। পরে ভাবলাম, হিমিকার স্বামী বলেই হয়তো এটি ওর বদান্যতা। ওতো জানেই যে, হিমিকা আমাকে বাবা বলে, সে জন্য স্ত্রীর মুখের দিকে তার সামনে তাকিয়ে এটুকু সম্মান প্রদান। কিন্তু পরক্ষণেই আমার ভুল ভাঙলো।
ও মাথাটা নিচু করে পা ছুয়ে সালাম করে বললো, আজ আমি আপনাকে সরাসরি প্রথম দেখলাম। পা ছুঁতে পারার এই সুযোগটা এবার হাতছাড়া করতে চাই না। আমার জন্য বিস্ময়ের কিছুই বাকি ছিল না। পাশে তাকিয়ে দেখি হিমিকা হাসছে। ভাবটা এমন যে, এই চমকটার কথা তোমাকে বলিনি, কারণ এটা নিজেই উপলব্ধি করতে হয়। অনুষ্ঠানের জন্য আগে থেকেই জুনায়েদ আহমদ পলক উপস্থিত ছিলেন। তার সঙ্গে মন্ত্রণালয় নিয়ে কথা বলতে বলতেই মুহিত ভাই এলেন। একাশি বছর বয়স্ক এই মানুষটি আমার নিজের অনেক প্রিয়। তিনি এসেই জানালেন, শরীর ভালো না বলে আসতে চাইছিলেন না। হিমিকা আর প্রান্ত অনুষ্ঠানটা বাতিল করে ফেলবে এমন কথা বলার পর তিনি আসেন। অনুষ্ঠানটাকে তার জন্য একটু অন্য মাত্রায় সাজাতে হয়। সবার আগে তিনিই কথা বলেন। ওসিআর বিষয়ে দুয়েকটা কথা বলেই তিনি কাজটি যে মাইলফলক একটি কাজ হয়েছে তার বিবরণ দিলেন। এরপর পলক ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারের অসাধারণ অগ্রগতির বিষয়ে আলোকপাত করেন। তার পরই কথা বলেন বেসিসের সিনিয়র সহ-সভাপতি রাসেল টি আহমদ। রাসেলের কথাগুলো একটু ভিন্ন মাত্রার মনে হলো। এই প্রথম রাসেল দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার ও সফটওয়্যার উন্নয়ন নিয়ে কথা বললো। তার পরেই আমার কথা বলার পালা ছিল। বেশ কিছুটা সময় নিয়েই আমি কিছু প্রসঙ্গ আলোচনা করি। এর আগে এই সফটওয়্যারটি কি এবং এর কার্যকারিতা বা উপকারিতা কি সেই বিষয়ে হিমিকা-প্রান্তদের কোম্পানি টিম ইঞ্জিনের পক্ষ থেকে বিবরণ দেয়া হয়। ওরা যা জানায় সেটি খুব সহজভাবে বলতে গেলে কোনো মুদ্রিত বাংলা বিষয়বস্থ কে স্ক্যান করে তাকে সম্পাদনাযোগ্য বিষয়বস্থতে পরিণত করার কাজটি অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিডারের। বাংলা লিপির জন্য এর প্রয়োজনীয়তা দীর্ঘদিনের। আমরা যদি আমাদের প্রাচীন বই-পত্র-পত্রিকা- সাময়িকীকে সম্পাদনাযোগ্য বিষয়বস্থতে নিতে চাই তবে ওসিআর হলো সহজতম উপায়। আমি রবীন্দ্র, বঙ্কিম, শরৎ, জীবনানন্দ ও সুকান্ত রচনাবলীর ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশ করতে গিয়ে প্রায় তিন লাখ টাকা ব্যয় করেছি ডাটা এন্ট্রি করতেই। সময়ও লেগেছে এক বছরেরও বেশি। সেই কাজটি এর দশ ভাগের এক ভাগ সময়ে অতি সামান্য ব্যয়ে সম্পাদনাযোগ্য বা প্রকাশযোগ্য বিষয়ব¯‘তে পরিণত করা যায়। বাংলা লিপির জন্য এটি জরুরি এ জন্য যে, আমাদের হাজার বছরের সাহিত্য এবং ১৭৭৮ সালের পরবর্তী মুদ্রিত বাংলা বিষয়ব¯‘কে যদি সচল-সজীব ও ডিজিটাল যুগের মাঝে রাখতে চাই তবে ওসিআর একটি বড় হাতিয়ার। টিম ইঞ্জিন জানিয়েছে, দুনিয়ার ৩৬টি ভাষায় ওসিআর আছে। এবার ৩৬টির সঙ্গে বাংলা যুক্ত হলো। বাংলা ওসিআর-এর ইতিহাসে টিম ইঞ্জিন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, ওমর শিহাব, ইউনাইটেড বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদির নাম উল্লেখ করেছে। এর বাইরে পশ্চিমবঙ্গের একটি প্রতিষ্ঠানও বাংলা ওসিআর তৈরি করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করে বলে জানানো হয়। বাংলা ওসিআর নিয়ে টিম ইঞ্জিনের কয়েক ঘণ্টার অনুষ্ঠান, কিছু কথাবার্তা ও মিডিয়ার কিছু খবরাদি খুবই ছোট আকারের হলেও এই নিয়ে কথা বলার সুযোগ এবং প্রয়োজনীয়তা দুটিই অনেক বড়। যারা মনে করেন যে, বাংলা ভাষা কেবলমাত্র ফেসবুকে স্ট্যাটাস লেখার জন্য এবং রোমান কিবোর্ড বা রোমান হরফ দিয়ে এসএমএস-এর মতো করে বাংলা লিখতে পারলেই ডিজিটাল যুগের বাংলা ভাষার সব চাহিদা পূরণ হলো তাদের আমার বলার কিছু নেই। ওসিআর বা বাংলা হরফমালা তাদের বিবেচ্য বিষয় নয়। ইন্টারনেটে মাইক্রোসফটের বাংলা হরফ বৃন্দা হরফ ব্যবহার করেই যারা তুষ্ট তাদেরও এই বিষয়ে মাথাব্যথার কোনো কারণ নেই। কিন্তু ১৭৭৮ সালে হলহ্যাডের বাংলা ব্যাকরণের মুদ্রণ, পঞ্চানন কর্মকারের ছেনিকাটা হরফ, উইলকিন্সের ডিজাইন, বাংলা সীসার হরফ, বাংলা লাইনো-মনো, ফটোটাইপসেটার, ফিয়োনা রসের বাংলা হরফমালা এবং কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিজিটাল যন্ত্রের হরফমালার সঙ্গে ওসিআরের সম্পর্ক আছে। সম্পর্ক আছে ৩৫ কোটি বাংলা ভাষাভাষীর হাতের লেখার সঙ্গে। অহমিয়া বা পূর্ব ভারতীয় ভাষাগুলোর কথাই বা ভুলে যাই কেন?
আমাদের বর্তমানের হাতের লেখা, পুঁথির হস্তলিপি, প্রাচীন বাংলার অক্ষরসমষ্টিসহ বাংলা মুদ্রণের সঙ্গে যুক্ত সকল প্রকারের টাইপোগ্রাফির সঙ্গে এর সম্পর্ক। এর সঙ্গে সম্পর্ক বাংলা বর্ণমালার বিভিন্ন রূপ ও বৈশিষ্ট্য, যুক্তাক্ষর গঠনের পদ্ধতি, পাঠ্যবইয়ের স্পষ্টীকরণ, সীসার হরফের বৈচিত্র্য ও আসকি-ইউনিকোড ফন্টসমূহের যাবতীয় বৈচিত্র্য। সম্ভবত হিমিকা, প্রান্ত, স¤্রাট ও তাদের ৩০ জনের একটি বাহিনী এবং বাংলা ওসিআর তৈরির সঙ্গে যুক্ত ও জড়িতরাই প্রথম অনুভব করেন যে, বাংলা লিপি ও তার বৈচিত্র্য কতো গবেষণার দাবি রাখে। কেউ কেউ হয়তো এমনটি ভেবেও অবাক হয়েছেন যে, এ কার, ও-কার, ঔ-কার-এর কখন মাত্রা থাকে বা কখন থাকে না। একই সঙ্গে কেউ হয়তো এটি ভেবেও অবাক হবেন যে, আকারও অন্তত দুই প্রকারের হয়। শব্দের মাঝখানের আ-কার ও শেষের আ-কার যে একরকম নয় এটি কজন বাংলা ভাষাভাষী জানেন। একইভাবে কজন বলতে পারেন যে লাইনো, লুডলো, মনো-লাইনো, আসকি, ইউনিকোড এসব পদ্ধতির জন্য বাংলা লিপির কতো রূপ বদলে যায়। কজন বলতে পারনে যে, কেমন করে যুক্তাক্ষরগুলো পাশাপাশি বসে নাকি ওপর-নিচ বসে। কখন অর্ধবর্ণ দিয়ে যুক্তাক্ষর তৈরি হয় বা কখন টাইপরাইটারের মতো বাংলা হরফ হয়। অনেকেই হয়তো অবাক হন যে, বাংলায় কেন পেট কাটা ব, পেটকাটা র আর লী বর্ণটি রাখার প্রয়োজন রয়েছে। আমি ধারণা করি যারা ওসিআর বানিয়েছেন বা বানানোর চেষ্টা করেছেন তাদের কাছে এসব নানা প্রশ্ন ঘোরপাক খা”েছ। আমি এখন টিম ইঞ্জিনের পুঁথি ওসিআরটি কার্যক্ষেত্রে দেখিনি। কেবলমাত্র মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরে দেখেছি। কাজ করতে পারলেই এর ভালো-মন্দ বলতে পারবো। তবে আমি এটুকু বলতে পারবো যে, হাজার বছরের বাংলা সাহিত্যের পাশাপাশি ২৩৬ বছরের বাংলা মুদ্রণের ইতিহাসে ওসিআর একটি নতুন মাত্রা যোগ করতে যা”েছ। ১৯৮৭ সালে বাংলা পত্রিকা প্রকাশ এবং ১৯৮৮ সালে বিজয় কিবোর্ড প্রকাশ করার পর বাংলা ভাষার নতুন মাইলফলক এটি। প্রাসঙ্গিকভাবে আমাদের আলোচনা করতে হবে এমন একটি কাজের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক, তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের প্রাসঙ্গিকতা, ফ্রি সফটওয়্যার বা মুক্ত সফটওয়্যারের সঙ্গে বাণিজ্যিক সফটওয়্যারের সম্পর্ক ইত্যাদি নানা প্রসঙ্গ। আগামীতে এই বিষয়টি নিয়ে অবশ্যই আমরা আলোচনা করবো। আলোচনা চলতেই থাকবে। তবে সবার আগে আমি টিম ইঞ্জিনের; হিমিকা-প্রান্তর পুঁথির সফলতা কামনা করবো।

মোস্তাফা জব্বার : তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, কলামিস্ট।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here