মোস্তাফিজের অপেক্ষা আর দুই সপ্তাহ

0
179

ক্রীড়া প্রতিবেদক :  কাঁধের চোটে পড়ে গত ১১ আগস্ লন্ডনে শল্যবিদ অ্যান্ড্রু ওয়ালেসের ছুঁড়ির নিচে যেতে হয় মোস্তাফিজুর রহমানকে। অস্ত্রোপচারের পর বিসিবি সূত্রে জানা গিয়েছিল, পাঁচ থেকে  ছয় মাস লেগে যেতে পারে সম্পূর্ণ ফিট হয়ে উঠতে। কিন্তু তার আগেই ফিট হয়ে উঠছেন মোস্তাফিজ। চলতি মাসের শেষদিকে কিংবা ডিসেম্বরের শুরুর দিকে মোস্তাফিজ পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠবেন বলে জানিয়েছেন বিসিবির চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী।
পাঁচ দিনের ছুটি কাটিয়ে গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় ফিরেছেন মোস্তাফিজ। মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) সকালে মিরপুরের জিমে ট্রেনারের সঙ্গে কাজ করেছেন। বুধবার থেকে শুরু করবেন বোলিং অনুশীলন। ৬০ শতাংশ ইনটেনসিটিতে নেটে বোলিং করবেন চার ওভার। ট্রেনারের সঙ্গে থাকবেন বাংলাদেশ দলের নতুন ফিজিও ডিন কনওয়ে।
ছুটিতে যাওয়ার আগে বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের অধীনে ৫০ ভাগ ইনটেনসিটিতে ছোট রানআপে বোলিং করেন মোস্তাফিজ।
মোস্তাফিজের শেষ ধাপের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া নিয়ে মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যমকে বিস্তারিত জানিয়েছেন দেবাশীষ চৌধুরী, ‘ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার আগে মোস্তাফিজের কাঁধের যে রুটিন স্ক্যান করা হয়েছিল সেই রিপোর্ট ছিল বেশ সন্তোষজনক। অস্ত্রোপচারের পর থেকে এখন পর্যন্ত উন্নতি সন্তোষজনক পর্যায়ে আছে।’
‘আজ থেকে আবার রিহ্যাব (পুনর্বাসন) প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে বোলিং অনুশীলনে যায়নি। প্রথম দিনটা ট্রেনারের সঙ্গে জিম সেশন করেছে। আগামীকাল ট্রেনার এবং বাংলাদেশ দলের যে নতুন ফিজিও আছেন ওনার তত্ত্বাবধানে বোলিং সেশন শুরু করবে।’-যোগ করেন বিসিবির এ চিকিৎসক।
দেবাশীষ আরও বলেন, ‘আগামীকালের যে প্ল্যান তাতে ৬০ শতাংশ ইনটেনসিটিতে চার ওভার বোলিং করবে। এভাবে প্রতিদিনই ইনটেনসিটি বাড়াতে থাকবে। কোনো ধরণের সমস্যা দেখা না দিলে প্রতিদিনই অল্প অল্প বাড়াবে। আশা করা যায়, এভাবে চলতে থাকলে এ মাসের শেষে বা সামনের । মাসের শুরুর দিকে সে পুরো ফিটনেস ফিরে পাবে। সর্বোচ্চ দুই সপ্তাহ লাগতে পারে।’
ফিটনেস ফিরে পাওয়ার পর ম্যাচ ফিটনেসের জন্য ম্যাচ খেলতে হবে বলে জানান দেবাশীষ চৌধুরী। তিনি জানান, নিউজিল্যান্ড সফরে খেলানো যাবে কিনা সেটি নিভর করবে টিম ম্যানেজমেন্টের উপর, ‘ম্যাচ না খেললে তো আসলে ম্যাচ ফিটনেস পাওয়া যাবে না। মোস্তাফিজ ফিরে পাবে ওর গতি ও অ্যাকুরেসি। শারীরিক সক্ষমতা ফিরে পাবে। কিন্তু ম্যাচ সিচুয়েশনে কেমন করছে সেটা ম্যাচ খেললেই বোঝা যাবে। আমাদের কাজ হচ্ছে ম্যাচের জন্য ফিট করে টিম ম্যানেজেমেন্টের কাছে ওকে হস্তান্তর করা। তখন ম্যানেজমেন্ট সিদ্ধান্ত নেবে ওকে কখন, কিভাবে ব্যবহার করবে।’

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here