অপূর্ব-মেহজাবিনকে আলাদাভাবেই ধন্যবাদ দিতে চাই : সুবর্ণা মুস্তাফা

0
7

বিনোদন প্রতিবেদক  : ঈদ উপলক্ষে বরাবরই বিশেষ আয়োজন করে থাকে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো। নির্মিত হয় অনেক নাটক-টেলিফিল্ম। তবে হাতে গোনা দুই একটা নাটক-টেলিফিল্ম আলোচনায় উঠে আসে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে তরুণ নাট্য নির্মাতা মিজানুর রহমান আরিয়ান নির্মাণ করেন ‘বড় ছেলে’ নামে টেলিফিল্ম। এতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও মেহজাবিন চৌধুরী। নাটকটি প্রচারের পর সব মহলেই বেশ প্রশংসিত হয়েছে। শত ব্যস্ততার মধ্যে এ নাটকটি দেখেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা। নাটকটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ভালোলাগার কথা জানিয়েছেন তিনি।
এতে তিনি লিখেন, ‘‘গতকাল শুনলাম ‘বড় ছেলে’ নাটকটি ইউটিউবে প্রায় কুড়ি লাখবার দেখা হয়েছে।
গতকাল দেখলাম নাটকটি। দেখার পর আশান্বিতবোধ করছি। সুনির্মিত, সুঅভিনীত, গোছানো একটি প্রযোজনা। সাধারণ মানুষের খুবই পরিচিত জীবন যাপনের গল্প। খুবই আটপৌরে, খুবই বাস্তব। নাটকের প্রতিটি মুহূর্ত, প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত এক ধরনের মায়া তৈরি করে।
গল্প এগিয়ে যায় সুন্দর। বহুদিন পর একটা নাটক শেষ হবার পর মনে হলো ‘আর একটু হতো’। পরিচালককে অভিনন্দন। অভিনন্দন নাটকের প্রতিটি শিল্পী ও কলাকুশলীদের। অবশ্যই অপূর্ব এবং মেহজাবিনকে আলাদাভাবেই ধন্যবাদ দিতে চাই। কাতুকুতু দেওয়া হাসির নাটক, নানা ধরনের গিমিক, এই সব কিছুর মাঝখানে ‘বড় ছেল’ স্বস্তি দিলো। দর্শক আবার প্রমাণ করল ভালোকে ভালো বলতে তারা সব সময় প্রস্তুত।’’অপূর্ব-মেহজাবিনকে আলাদাভাবেই ধন্যবাদ দিতে চাই : সুবর্ণা মুস্তাফা
বিনোদন প্রতিবেদক  : ঈদ উপলক্ষে বরাবরই বিশেষ আয়োজন করে থাকে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো। নির্মিত হয় অনেক নাটক-টেলিফিল্ম। তবে হাতে গোনা দুই একটা নাটক-টেলিফিল্ম আলোচনায় উঠে আসে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে তরুণ নাট্য নির্মাতা মিজানুর রহমান আরিয়ান নির্মাণ করেন ‘বড় ছেলে’ নামে টেলিফিল্ম। এতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও মেহজাবিন চৌধুরী। নাটকটি প্রচারের পর সব মহলেই বেশ প্রশংসিত হয়েছে। শত ব্যস্ততার মধ্যে এ নাটকটি দেখেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা। নাটকটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ভালোলাগার কথা জানিয়েছেন তিনি।
এতে তিনি লিখেন, ‘‘গতকাল শুনলাম ‘বড় ছেলে’ নাটকটি ইউটিউবে প্রায় কুড়ি লাখবার দেখা হয়েছে।
গতকাল দেখলাম নাটকটি। দেখার পর আশান্বিতবোধ করছি। সুনির্মিত, সুঅভিনীত, গোছানো একটি প্রযোজনা। সাধারণ মানুষের খুবই পরিচিত জীবন যাপনের গল্প। খুবই আটপৌরে, খুবই বাস্তব। নাটকের প্রতিটি মুহূর্ত, প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত এক ধরনের মায়া তৈরি করে।
গল্প এগিয়ে যায় সুন্দর। বহুদিন পর একটা নাটক শেষ হবার পর মনে হলো ‘আর একটু হতো’। পরিচালককে অভিনন্দন। অভিনন্দন নাটকের প্রতিটি শিল্পী ও কলাকুশলীদের। অবশ্যই অপূর্ব এবং মেহজাবিনকে আলাদাভাবেই ধন্যবাদ দিতে চাই। কাতুকুতু দেওয়া হাসির নাটক, নানা ধরনের গিমিক, এই সব কিছুর মাঝখানে ‘বড় ছেল’ স্বস্তি দিলো। দর্শক আবার প্রমাণ করল ভালোকে ভালো বলতে তারা সব সময় প্রস্তুত।’’

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here