বগুড়ায় স্বামীর হাতে স্ত্রী ও স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন

0
3

বগুড়া প্রতিনিধি ঃ বগুড়া সদর ও দুপচাঁচিয়া উপজেলায় স্বামীর হাতে স্ত্রী ও স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন হয়েছে। নিহতরা হলো- ফাতেমা বেগম (১৯) ও শহিদুল ইসলাম (৪৫)। স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামী সুজন মিয়া ও স্বামীকে হত্যার অভিযোগে পুলিশ স্ত্রী খাদিজাকে গ্রেফতার করেছে।
বগুড়া সদর থানার ওসি এমদাদ হোসেন জানান, শহরের চকফরিদ এলাকার রং মিস্ত্রী সুজন তিন সপ্তাহ আগে নাটোরের সিংড়া উপজেলার ফাতেমা বেগমকে বিয়ে করে। মঙ্গলবার রাতে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এর এক পর্যায়ে সুজন ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা করে। এবং সে নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এসময় প্রতিবেশিরা বিষয়টি জানার পর তাকে আটকে বুধবার ভোরে বগুড়া সদর থানার পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আহত অবস্থায় গ্রেফতার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। সুজন বগুড়া শহরের চকফরিদ এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে।
ওসি আরো জানান , আসামী দোষ স্বীকার করে বলেছে , তার স্ত্রী তার সাথে সংসার করবে না। অন্য কোথাও তার সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে রাতে ঝগড়ার সময় আমি তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করি। নিহত ফাতেমার বাবা তোজাম্মেল হোসেন বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে ওসি জানান।
অপর দিকে দুপচাচিঁয়া উপজেলার কোচপুকুরিয়া গ্রামে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার এক ্পর্যায়ে স্ত্রী খাদিজা ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী শহিদুলের বুকে বটি দিয়ে কোপ মারে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
দুপচাঁচিয়া থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, খাদিজা (৩৫) বিদেশে গৃহকর্মীর কাজ করতেন। একমাস আগে তিনি ছুটেতে বাড়িতে আসেন। প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিরোধের সুত্রপাত হয়। মঙ্গলবার রাতে স্ত্রী খাদিজা স্বামী শহিদুলকে বলে বিদেশ থেকে টাকা পাঠাই আর সেই টাকা দিয়ে তুই নেশা করিস। এ নিয়ে বাক-বিতন্ডার এক পর্যায়ে খাদিজা বটি দিয়ে স্বামীকে আঘাত করলে সে গুরুতর আহত হয়। শহিদুলকে চিকিৎসার জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে মঙ্গলবার রাত ৯ টায় তার মৃত্যু ঘটে। ওই ঘটনায় নিহতের মা  ছাইফুন বেগম বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। আসামীকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। বগুড়ায় স্বামীর হাতে স্ত্রী ও স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন
বগুড়া প্রতিনিধি ঃ বগুড়া সদর ও দুপচাঁচিয়া উপজেলায় স্বামীর হাতে স্ত্রী ও স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন হয়েছে। নিহতরা হলো- ফাতেমা বেগম (১৯) ও শহিদুল ইসলাম (৪৫)। স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামী সুজন মিয়া ও স্বামীকে হত্যার অভিযোগে পুলিশ স্ত্রী খাদিজাকে গ্রেফতার করেছে।
বগুড়া সদর থানার ওসি এমদাদ হোসেন জানান, শহরের চকফরিদ এলাকার রং মিস্ত্রী সুজন তিন সপ্তাহ আগে নাটোরের সিংড়া উপজেলার ফাতেমা বেগমকে বিয়ে করে। মঙ্গলবার রাতে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এর এক পর্যায়ে সুজন ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা করে। এবং সে নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এসময় প্রতিবেশিরা বিষয়টি জানার পর তাকে আটকে বুধবার ভোরে বগুড়া সদর থানার পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আহত অবস্থায় গ্রেফতার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। সুজন বগুড়া শহরের চকফরিদ এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে।
ওসি আরো জানান , আসামী দোষ স্বীকার করে বলেছে , তার স্ত্রী তার সাথে সংসার করবে না। অন্য কোথাও তার সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে রাতে ঝগড়ার সময় আমি তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করি। নিহত ফাতেমার বাবা তোজাম্মেল হোসেন বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে ওসি জানান।
অপর দিকে দুপচাচিঁয়া উপজেলার কোচপুকুরিয়া গ্রামে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার এক ্পর্যায়ে স্ত্রী খাদিজা ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী শহিদুলের বুকে বটি দিয়ে কোপ মারে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
দুপচাঁচিয়া থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, খাদিজা (৩৫) বিদেশে গৃহকর্মীর কাজ করতেন। একমাস আগে তিনি ছুটেতে বাড়িতে আসেন। প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিরোধের সুত্রপাত হয়। মঙ্গলবার রাতে স্ত্রী খাদিজা স্বামী শহিদুলকে বলে বিদেশ থেকে টাকা পাঠাই আর সেই টাকা দিয়ে তুই নেশা করিস। এ নিয়ে বাক-বিতন্ডার এক পর্যায়ে খাদিজা বটি দিয়ে স্বামীকে আঘাত করলে সে গুরুতর আহত হয়। শহিদুলকে চিকিৎসার জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে মঙ্গলবার রাত ৯ টায় তার মৃত্যু ঘটে। ওই ঘটনায় নিহতের মা  ছাইফুন বেগম বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। আসামীকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here