রঙ তুলি আচড়ে সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ চলছে পূজা মন্ডপগুলোতে

0
4

নীলফামারী প্রতিনিধি: রঙ তুলির আচড়ে সৌন্দর্য বর্ধণের কাজ চলছে নীলফামারীর পূজা মন্ডপগুলোতে। ইতোমধ্যে প্রতিমা তৈরির যাবতীয় কাজ সম্পন্ন হয়েছে কেন্দ্রে কেন্দ্রে। কোথাও শুরু করেছে রঙ’র কাজ আর কোথাও কোথাও ক’দিন পর শুরু হবে শেষ পর্যায়ের এই কাজটি।
অন্যদিকে প্রতিমার পাশাপাশি মন্ডপগুলোকে আকর্ষণীয় করতে জোড়েশোড়ে চলছে আলোকসজ্জা আর সাজসজ্জার কাজও।
এমন চিত্র দেখা গেছে জেলা শহরের বিভিন্ন পূজামন্ডপ ঘুরে। তবে এবারে প্রতিমায় ব্যতিক্রম এসেছে নীলফামারী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী দেবীরডাঙ্গায় শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দিরে। সিংহের উপরে স্থাপন করা হয়েছে বিভিন্ন প্রতিমা। স্থান পেয়েছে শঙ্খও। গতবারের চেয়ে বড় আকারের প্রতিমা বানানো হয়েছে মন্ডপটিতে।
দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলার রামকলা গ্রামের মালি জয়ন্ত কুমারের নেতৃত্বে ৫জন তৈরি করেছেন এখানকার প্রতিমাগুলো। মাটির কাজ শেষ হওয়ায় রঙ তুলির কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনিসহ বিকাশ চন্দ্র রায়, কষ্ণ রায়, বিন্দু রায় ও মাধব রায়।
মালি জয়ন্ত কুমার জানান, গতবারের চেয়ে এবারে এখানকার প্রতিমা আলাদা আকর্ষণ বাড়াবে। আকারে বড় এবং নতুনত্ব রয়েছে প্রতিমা। সিংহের উপর স্থাপন করা হয়েছে প্রতিমাগুলো। ইতিপুর্বে আচলের উপর প্রতিমা বসানো হলেও এবারে সেটি নেই।
মন্দিরের সভাপতি নরেশ চন্দ্র রায় বলেন, জেলার মধ্যে বড় পুজা উদযাপন হয়ে থাকে আমাদের এখানে। দেরিবডাঙ্গার সুনাম বিভিন্নস্থানে রয়েছে। এবারে আরো ভালো হবে। তিনি জানান, এবারসহ ৬৩তম পূজা উদযাপন হচ্ছে রাধারগোবিন্দ মন্দিরে।
শুধু নীলফামারী নয় পূজা উদযাপনে প্রস্তুত হচ্ছে গোটা নীলফামারী জেলা। এবারে  ৮৩৬টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হচ্ছে।
জেলা ত্রাণ ও পুর্ণবাসন দফতর সুত্র জানায়, ৮৩৬টির মধ্যে ডিমলায় ৭৭টি, ডোমারে ৯৩টি, জলঢাকায় ১৬৪টি, কিশোরগঞ্জে ১৪৪টি, সদরে ২৭৮টি এবং সৈয়দপুরে ৮০টি পূজামন্ডপ রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা আবু তাহের মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বলেন, গতবছর জেলায় ৮২২টি মন্ডপে হয়েছিলো শারদীয় দুর্গোৎসব। মন্ডপগুলোর অনুকুলে ৪১১মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছিলো।
তিনি জানান, এবারো বরাদ্দের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পত্র দেয়া হয়েছে। বরাদ্দ আসা মাত্র মন্ডপগুলোর অনুুকুলে চাল বিতরণ করা হবে।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নীলফামারী জেলা কমিটির সভাপতি অক্ষয় কুমার রায় জানান, জেলার মধ্যে সদর উপজেলার লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের শীশাতলি মন্দিরে বড় আয়োজনে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ইতিমধ্যে সুষ্ঠুভাবে এবং আনন্দময় পরিবেশে উৎসব সম্পন্নে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। সার্বিক ভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় উৎসব সম্পন্ন হবে বলে জানান তিনি।
জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও জেলা পুলিশের মুখপাত্র আবুল বাসার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান জানান, প্রতিমা তৈরির সময় থেকে আমরা(পুলিশ) নজরদারী শুরু করেছি মন্ডপগুলোতে। যাতে কোন অপ্রিতীকর ঘটনা না ঘটে।
পূজা শুরু হওয়ার সময় প্রয়োজনীয় নিরপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে পুলিশের পক্ষ্য থেকে। উৎসব মুখর পরিবেশে নীলফামারী জেলায় শারদীয় উৎসব সম্পন্ন হবে বলে জানান তিনি। রঙ তুলি আচড়ে সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ চলছে পূজা মন্ডপগুলোতে
নীলফামারী প্রতিনিধি: রঙ তুলির আচড়ে সৌন্দর্য বর্ধণের কাজ চলছে নীলফামারীর পূজা মন্ডপগুলোতে। ইতোমধ্যে প্রতিমা তৈরির যাবতীয় কাজ সম্পন্ন হয়েছে কেন্দ্রে কেন্দ্রে। কোথাও শুরু করেছে রঙ’র কাজ আর কোথাও কোথাও ক’দিন পর শুরু হবে শেষ পর্যায়ের এই কাজটি।
অন্যদিকে প্রতিমার পাশাপাশি মন্ডপগুলোকে আকর্ষণীয় করতে জোড়েশোড়ে চলছে আলোকসজ্জা আর সাজসজ্জার কাজও।
এমন চিত্র দেখা গেছে জেলা শহরের বিভিন্ন পূজামন্ডপ ঘুরে। তবে এবারে প্রতিমায় ব্যতিক্রম এসেছে নীলফামারী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী দেবীরডাঙ্গায় শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দিরে। সিংহের উপরে স্থাপন করা হয়েছে বিভিন্ন প্রতিমা। স্থান পেয়েছে শঙ্খও। গতবারের চেয়ে বড় আকারের প্রতিমা বানানো হয়েছে মন্ডপটিতে।
দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলার রামকলা গ্রামের মালি জয়ন্ত কুমারের নেতৃত্বে ৫জন তৈরি করেছেন এখানকার প্রতিমাগুলো। মাটির কাজ শেষ হওয়ায় রঙ তুলির কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনিসহ বিকাশ চন্দ্র রায়, কষ্ণ রায়, বিন্দু রায় ও মাধব রায়।
মালি জয়ন্ত কুমার জানান, গতবারের চেয়ে এবারে এখানকার প্রতিমা আলাদা আকর্ষণ বাড়াবে। আকারে বড় এবং নতুনত্ব রয়েছে প্রতিমা। সিংহের উপর স্থাপন করা হয়েছে প্রতিমাগুলো। ইতিপুর্বে আচলের উপর প্রতিমা বসানো হলেও এবারে সেটি নেই।
মন্দিরের সভাপতি নরেশ চন্দ্র রায় বলেন, জেলার মধ্যে বড় পুজা উদযাপন হয়ে থাকে আমাদের এখানে। দেরিবডাঙ্গার সুনাম বিভিন্নস্থানে রয়েছে। এবারে আরো ভালো হবে। তিনি জানান, এবারসহ ৬৩তম পূজা উদযাপন হচ্ছে রাধারগোবিন্দ মন্দিরে।
শুধু নীলফামারী নয় পূজা উদযাপনে প্রস্তুত হচ্ছে গোটা নীলফামারী জেলা। এবারে  ৮৩৬টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হচ্ছে।
জেলা ত্রাণ ও পুর্ণবাসন দফতর সুত্র জানায়, ৮৩৬টির মধ্যে ডিমলায় ৭৭টি, ডোমারে ৯৩টি, জলঢাকায় ১৬৪টি, কিশোরগঞ্জে ১৪৪টি, সদরে ২৭৮টি এবং সৈয়দপুরে ৮০টি পূজামন্ডপ রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা আবু তাহের মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বলেন, গতবছর জেলায় ৮২২টি মন্ডপে হয়েছিলো শারদীয় দুর্গোৎসব। মন্ডপগুলোর অনুকুলে ৪১১মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছিলো।
তিনি জানান, এবারো বরাদ্দের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পত্র দেয়া হয়েছে। বরাদ্দ আসা মাত্র মন্ডপগুলোর অনুুকুলে চাল বিতরণ করা হবে।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নীলফামারী জেলা কমিটির সভাপতি অক্ষয় কুমার রায় জানান, জেলার মধ্যে সদর উপজেলার লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের শীশাতলি মন্দিরে বড় আয়োজনে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ইতিমধ্যে সুষ্ঠুভাবে এবং আনন্দময় পরিবেশে উৎসব সম্পন্নে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। সার্বিক ভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় উৎসব সম্পন্ন হবে বলে জানান তিনি।
জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও জেলা পুলিশের মুখপাত্র আবুল বাসার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান জানান, প্রতিমা তৈরির সময় থেকে আমরা(পুলিশ) নজরদারী শুরু করেছি মন্ডপগুলোতে। যাতে কোন অপ্রিতীকর ঘটনা না ঘটে।
পূজা শুরু হওয়ার সময় প্রয়োজনীয় নিরপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে পুলিশের পক্ষ্য থেকে। উৎসব মুখর পরিবেশে নীলফামারী জেলায় শারদীয় উৎসব সম্পন্ন হবে বলে জানান তিনি।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here