admoc
Kal lo

,

admoc
Notice :
«» রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার কার্যকর কিছুই করছে না: প্রধানমন্ত্রী «» উত্তর কোরিয়ায় সিআইএ প্রধান: কিম জং আনের সঙ্গে গোপন বৈঠক «» ঢাকার রাস্তায় পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের দাপটে যাত্রীরা অসহায় «» ইন্টারনেট আবিষ্কার হয়েছে মহাভারতের যুগে: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী «» জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ৪০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে : শিল্পমন্ত্রী «» বিপিও সেক্টরে ১ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে : জয় «» সৌদি আরবে প্রথমবারের মতো নারীদের সাইক্লিং প্রতিযোগিতা «» বিএনপি দেশের স্থিতিশীল অবস্থা মেনে নিতে পারছে না : ওবায়দুল কাদের «» মিয়ানমার প্রথমে ফিরিয়ে নিল ৫ জন «» যৌন নির্যাতন ছিল রোহিঙ্গা বিতাড়নের হাতিয়ার

নতুন আন্তর্জাতিক রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে

20legrb0

নিজস্ব প্রতিবেদক: পদ্মা সেতুর মাধ্যমে ভারত, নেপাল ভুটানকে নিয়ে ট্রান্স-পদ্মা করিডোর এবং এই করিডোরের মাধ্যমে নতুন আর্ন্তজাতিক রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে এই করিডোরসহ পদ্মা সেতুকে এশিয়ান হাইওয়ের সাথে যুক্ত করা হবে।
এশিয় উন্নয়ন ব্যাঙ্ক ও জাপানের জাইকা তাদের স্টাডিতে এবং পরবর্তী মূল্যায়ন প্রতিবেদনেও এ ব্যাপারে জোরালো তাগিদ দিয়েছে। বলেছে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থেই এব্যবস্থা জরুরি। এতে অর্থনৈতিকভাবে ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশও লাভবান হবে। আন্তজাতিক বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসার ঘটবে।
ট্রান্স-পদ্মা করিডোরের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রেলওয়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে বাংলাদেশের চেয়ে ভারত অধিকতর আগ্রহী। বাংলাদেশও বাণিজ্যিক স্বার্থেই তা চায়। একই সাথে নেপাল ও ভুটানের সাথে রেলওয়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী বাংলাদেশ। ভুটানের আপত্তির কারনে চারদেশিয় সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সম্ভব না হলেও ভুটান রেল নেটওয়ার্কে অন্তর্ভূক্ত হতে চায়। নেপালও এতে আগ্রহী। স্বাধীনতার আগে ভারতের উপর দিয়ে নেপাল -বাংলাদেশ রেল যোগাযোগ ছিল। বিরল-রাধিকাপুর-রক্সাল রেল সংযোগ পুন:প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ নেপাল ভারতের কাছে অব্যাহতভাবে অনুরোধ জানিয়ে আসছে। ভারত সম্মতি জানালেও বাস্তব কোন অগ্রগতি হচ্ছেনা। এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক এবং জাইকা গত পাঁচ বছর যাবতই ট্রান্স-পদ্মা করিডোর এবং বাংলাদেশ-নেপাল ও বাংলাদেশ-ভুটান রেল সংযোগের কথা বলে আসছে। ভারতের দিক থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যায়নি। এখন অবশ্য পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে যাওয়ায় নিজেদের স্বার্থেই তারা এগিয়ে এসেছে। কোন পথে বাংলাদেশ, নেপাল ও বাংলাদেশ- ভুটান রেল সংযোগ স্থাপন করা যায় তা নিয়ে তারা নতুন করে স্টাডি শুরু করবে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে তারা এ কাজ শেষ করবেন বলে জানা যায়।
বাংলাদেশ-ভারত রেল যোগাযোগ নিয়ে জাইকার স্টাডি অনেক আগেই শেষ করেছে। পদ্মা সেতু দিয়ে ভারতীয় পণ্যবাহী লরি, ট্রাক সমুদ্র পথে পরিবহনের পাশাপাশি সরাসরি সড়কপথে নেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।  জাইকার সুপারিশ অনুযায়ী চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর

Share Button
Share on Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভিডিও গ্যালারী

ভিডিও গ্যালারী