দেশের সকল মহানগরে প্রাইভেট কার ভাড়ায় চলতে পারবে

0
1154

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাইভেট কার ঢাকা, চট্টগ্রাম ও অন্যান্য মহানগর ও জেলা শহরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চলাচলের সুযোগ দিয়ে রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালা ২০১৭ চুড়ান্ত করা হয়েছে। এই নীতিমালা অনুমোদনের জন্য শিগগিরই মন্ত্রিসভায় উঠবে।
সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, রাজধানী ঢাকা শহরে বারটি অনুমোদিত এলাকায় রাইড শেয়ারিং এর গাড়ি চলবে। যেখানে সেখানে এসব যানবাহন চলতে দেয়া হবে। ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিনের অনুমোদিত এলাকার বাইরে এসব গাড়ি চলতে পারবেনা। নির্ধারিত এলাকায় গাড়ি দাঁড়িয়েও থাকতে পারবেনা। অনুমোদিত এলাকায় এসব গাড়ি চলমান রাখতে হবে। প্রতিটি অনুমোদিত এলাকায় ন্যুনতম একশ গাড়ি চলাচল করবে। অনুমোদিত স্থান ও গাড়ির সংখ্যা নির্ধারণ করবে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)। চট্টগ্রাম মহানগরীতে সম সংখ্যক এলকায় গাড়ি চলাচলের জন্য অনুমোদন দেয়া হবে। প্রতিটি এলাকায় ন্যূনতম পঞ্চাশটি গাড়ি চলাচলের জন্য নির্ধারিত থাকবে। দেশের অন্যান্য মহানগর ও শহর এলাকায়ও রাইড শেয়ারিং ব্যবস্থা থাকবে। এসব শহরে চারটি ও মহানগরে আটটি এলাকা নির্ধারিত থাকবে। গাড়ি চলবে ন্যূনতম বিশটি। রাইড শেয়ারিং এর আওতায় ব্যক্তিগত মোটর সাইকেল মোটরকার, জীপ, মাইক্রোবাস, এ্যাম্বুলেন্স অন্তভুর্ক্ত থাকবে। যাত্রী চাহিদা সড়ক নেটওয়ার্কের ক্যাপাসিটি, রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারি প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা, সার্ভিস প্রদানে নিয়োজিত মোটরযানের সংখ্যা প্রভৃতি বিবেচনায় র্ইাড শেয়ারিং সার্ভিসের অধিক্ষেত্র বিআরটিএ নির্ধারণ করে দেবে।
বিশ্বের বহুদেশের ইন্টারনেট ভিত্তিক সফটওয়্যার এপ্লিকেশনের মাধ্যমে রাইড শেয়ারিং সার্ভিস চালু করে ব্যক্তিগত মোটরযান ভাড়া যাত্রী বহনের কাজে নিয়োজিত রয়েছে। দেশে হাল্কা মোটরযানের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে ঢাকাসহ মহাসাড়কগুলোতে যানজটও উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। মানুষের শ্রমঘণ্টা ও জ্বালানির অপচয় হচ্ছে। রাইড শেয়ারিং সার্ভিসের মাধ্যমে ব্যক্তিগত মোটরযান কোন ব্যক্তিমালিক কর্তৃক ব্যবহারের পর অতিরিক্ত সময়ে ভাড়ার  বিনিময়ে যাত্রী বহনের সুযোগ পাবে। এতে সড়কে মোটর যানের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে কমে আসবে। বিশেষ করে নতুন মোটর কার কেনার প্রবণতা কমবে। যানজট হ্রাস পাবে। ব্যক্তিগত মোটরযান মালিকরাও আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। নগরীর মানুষ কিছুটা স্বাচ্ছন্দে চলাচলের সুযোগ পাবেন।
শেয়ার রাইডিং এপ্লিকেশনে এসওএস সুবিধা থাকবে। কোন জরুরি মুহুর্তে এস ও এস বোতাম স্পর্শের সাথে সাথে রাইড শেয়ারিং এপ্লিকেশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে উক্ত ফোন নম্বরে মোটরযান চালকের তথ্যাদি ও যাত্রীর লোকেশন প্রেরণ করবে। সার্ভিস নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, সহজলভ্য করার জন্য আরো বেশকিছু ব্যবস্থা থাকবে। যাত্রা শুরুর প্রাক্কালে ভ্রমনের সম্ভাব্য ভাড়ার পরিমাণ যাত্রীরা যাতে জানতে পারেন তার ব্যবস্থাও থাকবে। যাত্রী ও চালকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কনট্রোল রুমে জরুরি বার্তা সংকেত প্রেরনের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হবে। এসব  মোটর কারের ভাড়া  ট্রাক্সিকার সার্ভিস গাইডলাইন ২০১০ অনুযায়ী নির্ধারিত ভাড়া অপেক্ষা বেশি হতে পারবেনা।

Share on Facebook

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here